শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
Natun Kagoj
প্রশ্ন ইংলিশ কিংবদন্তির

ভারত হলে কি বাদ পড়ত বিশ্বকাপ থেকে?

ভারত হলে কি বাদ পড়ত বিশ্বকাপ থেকে?
ছবি- সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারত এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার নাসের হুসেইন। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন আইসিসির নিরপেক্ষতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে।

নাসের হুসেইনের সাফ বক্তব্য, বাংলাদেশের জায়গায় যদি ভারত থাকত, তাহলে কি আইসিসি একই সিদ্ধান্ত নিতে পারত? তাঁর মতে, বড় দলগুলোর ক্ষেত্রে আইসিসির অবস্থান অনেক সময় ভিন্ন রকম হয়, যা ছোট বা মাঝারি দলগুলোর জন্য প্রশ্নবিদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করে।

তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটের শাসক সংস্থার দায়িত্ব সবার জন্য সমান নিয়ম প্রয়োগ করা। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় শক্তিশালী দেশগুলো বিশেষ সুবিধা পায়, যা ক্রিকেটের ন্যায্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

নাসের হুসেইনের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, আইসিসির সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা ও সমতা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এমন বিতর্ক আরও বাড়তে পারে।

স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেট-এর এক পডকাস্টে নাসের হুসেইন বলেন, ‘ভারত যদি কোনো টুর্নামেন্টের এক মাস আগে বলতো যে তাদের সরকার বিশ্বকাপের জন্য কোনো নির্দিষ্ট দেশে খেলতে চায় না। তাহলে কি আইসিসি এতটা কঠোর হতো এবং বলতো, ‘নিয়ম তো নিয়মই-দুঃখিত, আমরা তোমাদের বাদ দিচ্ছি?’

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মনে করেন, সবার সঙ্গে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আচরণ করা হচ্ছে না। তার কথা, ‘সব পক্ষ আসলে একটাই জিনিস চাইছে-ধারাবাহিকতা ও ন্যায্যতা। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত-এই তিন দেশকে একইরকম দেখা উচিত। হ্যাঁ, ভারতীয় সমর্থকেরা বলতে পারেন, ‘আরও কাঁদো, আমাদের কাছেই টাকা আছে।’

‘কিন্তু ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্বও আসে। বারবার বাংলাদেশ বা পাকিস্তানকে পাশে সরিয়ে রেখে তাদের ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। এ কারণেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দুর্দান্ত ম্যাচগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই একপেশে হয়ে উঠেছে।’

প্রসঙ্গত, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। পরবর্তীতে আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করলে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়। এই সিদ্ধান্তকে ‘অসম ও অসঙ্গতিপূর্ণ আচরণ’ বলে সমালোচনা করে পাকিস্তানসহ একাধিক পক্ষ। যার জেরে ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন