বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পাকিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ভারতের প্রকাশ্য অসন্তোষ কালকিনির বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটির তালিকা ও গঠনতন্ত্র প্রদান সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে ইসি ডেঙ্গু শনাক্তে বাংলাদেশকে ৫ লাখ পরীক্ষার কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি মিরপুরে সংঘর্ষ-গাড়িতে আগুন, চার মামলায় আসামি প্রায় ১ হাজার ত্রুটি মেরামতের পর রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নিরাপত্তা ভাল্বের পরীক্ষা সফল
  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরাইলের চাপ, ট্রাম্পের সম্ভাব্য পদক্ষেপ

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরাইলের চাপ, ট্রাম্পের সম্ভাব্য পদক্ষেপ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা চালানোর পক্ষে মত দিয়েছেন ইসরাইলের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। তেল আবিবের আশঙ্কা, এই পর্যায়ে হামলা থেকে বিরত থাকলে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের দিকে আরও একধাপ এগোবে।

    স্থানীয় সময় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সম্প্রচারমাধ্যম কেএএন জানিয়েছে, ইরান পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি নিরাপত্তা বৈঠক করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈঠকে দেশটির শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সফর শেষে দেশে ফেরা ইসরাইলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ওয়াশিংটন সফরে তিনি ইরান ইস্যুতে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। উচ্চপর্যায়ের ওই বৈঠকে মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়াও উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
     
    ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সফর গোপন রাখতে ইয়াল জামির সামরিক বিমানের পরিবর্তে ব্যক্তিগত বিমানে যাত্রা করেন। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে ওয়াশিংটনকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    শুক্রবার পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের দুইজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ও ইয়াল জামির অংশ নেন। তবে ওই বৈঠকের আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার ইরানকে হুমকি দেয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নৌবহর জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে এটি ওয়াশিংটনের কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তবে ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তাহলে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে পরিণত হতে পারে। ইয়াল জামিরের বরাত দিয়ে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দুই সপ্তাহ থেকে দুই মাসের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। সেনাবাহিনীর একটি পরিস্থিতি মূল্যায়ন বৈঠকে জামির বলেন, ‘এখন একটি অনিশ্চয়তার সময়।’

    ইসরাইলের আর্মি রেডিও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সব সিদ্ধান্তে ইসরাইলকে সম্পৃক্ত করে না, গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে তেল আবিবকে অনেক সময় বাইরে রাখে।

    ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেন, যেখানে তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত নাও থাকতে পারে।

    এদিকে ওয়াশিংটনে আলোচনার পর ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ সেনাপ্রধান জামিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    আলোচনায় সংশ্লিষ্ট এক ইসরাইলি কর্মকর্তা দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে কঠোর আলোচনার পথ বেছে নিতে চায়, যার লক্ষ্য দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা।

    কর্মকর্তারা আরও বলছেন, তারা চান যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাক। তাদের আশঙ্কা, এই পর্যায়ে এসে হামলা থেকে বিরত থাকলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে আরও এগিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ইসরাইল তাদের উদ্বেগ জানিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন