শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • চীনে মিয়ানমারের চার বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    চীনে মিয়ানমারের চার বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মিয়ানমারে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণার কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত কুখ্যাত বাই পরিবারের আরও চার সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন, জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

    গত বছরের নভেম্বর মাসে ওই আদালত পরিবারের প্রধান বাই সুওচেংসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে সাজা ঘোষণার পর অসুস্থ হয়ে বাই সুওচেং মারা যান বলে জানায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

    এর আগে গত সপ্তাহে চীন মিং পরিবারের ১১ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণা দমনের অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    দীর্ঘদিন ধরে বাই, মিংসহ কয়েকটি পরিবার মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী শহর লাউক্কাইং নিয়ন্ত্রণ করতো। সেখানে তারা ক্যাসিনো, পতিতালয় ও সাইবার প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা করত।

    বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বাই পরিবার ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী। পরিবারের প্রধানের ছেলে একসময় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাদের পরিবার ছিল নাম্বার ওয়ান।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, বাই পরিবার নিজেদের মিলিশিয়া বাহিনী গড়ে তোলে এবং ৪১টি কম্পাউন্ড তৈরি করে, যেখানে অনলাইন প্রতারণা ও ক্যাসিনো পরিচালিত হতো। এসব কম্পাউন্ডে নিয়মিত মারধর ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটতো।

    আদালতের মতে, বাই পরিবারের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ছয়জন চীনা নাগরিক নিহত হন, একজন আত্মহত্যা করেন এবং বহু মানুষ আহত হন।

    ২০০০ সালের শুরুর দিকে লাউক্কাইংয়ের তৎকালীন এক নেতাকে সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত করার পর বাই পরিবার সেখানে ক্ষমতায় আসে। সেই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মিন অং হ্লাইং, যিনি বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান।

    তবে ২০২৩ সালে এসব পরিবারের সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। মিয়ানমারে প্রতারণা চক্র দমনে সেনাবাহিনীর নিষ্ক্রিয়তায় চীন অসন্তুষ্ট হয়ে জাতিগত বিদ্রোহীদের অভিযানে নীরব সমর্থন দেয়। এটি দেশটির গৃহযুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় সৃষ্টি করে।

    এর ফলে প্রতারণা চক্রের নেতারা ধরা পড়ে এবং তাদের চীনের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    চীনে তাদের নিয়ে রাষ্ট্রীয় তথ্যচিত্র তৈরি করা হয়, যেখানে প্রতারণা নেটওয়ার্ক নির্মূলে সরকারের কঠোর অবস্থান তুলে ধরা হয়।

    সাম্প্রতিক এসব মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে চীন ভবিষ্যতের প্রতারকদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দিতে চায় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করতে লাখ লাখ মানুষকে পাচার করা হয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন