রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • স্বাস্থ্যরক্ষায় নিম, তবে নিয়ম মেনে ব্যবহার জরুরি

    স্বাস্থ্যরক্ষায় নিম, তবে নিয়ম মেনে ব্যবহার জরুরি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রাচীনকাল থেকেই নিম গাছকে প্রকৃতির ‘জীবন্ত ফার্মেসি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এর পাতা, ডাল, ছাল ও ফল—সবকিছুই ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ। আয়ুর্বেদ ও লোকজ চিকিৎসায় নিমের ব্যবহার বহুদিনের। সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে নিম বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    নিম গাছের প্রধান উপকারিতা

    ১. চর্মরোগে কার্যকর
    নিমে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান ত্বকের চুলকানি, একজিমা, সোরাইসিস ও অ্যালার্জি কমাতে সহায়তা করে। নিমের পাতা বা তেল নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের সংক্রমণ হ্রাস পায়।

    ২. রক্ত পরিষ্কার করতে সহায়ক
    নিম রক্ত থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এতে রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

    ৩. লিভার ও হজমশক্তি বাড়ায়
    লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে নিম উপকারী। পাশাপাশি এটি পেটের কৃমি দূর করতে এবং বদহজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

    ৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
    নিয়মিত খালি পেটে নিম সেবন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

    ৫. দাঁত ও মাড়ির যত্নে
    নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করলে দাঁত মজবুত হয়, মাড়ির রোগ কমে এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

    নিম খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    ১. পাতা চিবিয়ে খাওয়া
    প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২–৩টি কচি নিম পাতা ভালোভাবে ধুয়ে চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। তিতা লাগলে সামান্য মধু মেশানো যেতে পারে।

    ২. নিমের রস বা জুস
    ১৫–২০টি নিম পাতা অল্প পানি দিয়ে বেটে রস বের করে নিন। ১/৪ কাপ রস হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করা যায়।

    ৩. নিম চা
    শুকনা নিম পাতা গরম পানিতে ৫–১০ মিনিট ফুটিয়ে ছেঁকে পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

    ৪. নিম বড়ি
    কাঁচা নিম পাতা বেটে ছোট বড়ি বানিয়ে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়। প্রতিদিন সকালে একটি বড়ি পানি দিয়ে গিলে খাওয়া সহজ।গর্ভাবস্থায় নিম সেবন করা উচিত নয়।

    গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

    • শিশুদের ক্ষেত্রে সরাসরি নিমের রস খাওয়ানো অনুচিত।
    • দীর্ঘমেয়াদি সেবন একটানা না করে ১৫–২০ দিন পর বিরতি দেওয়া ভালো।
    • অতিরিক্ত সেবন লিভার ও কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    নিয়ম মেনে ও পরিমিতভাবে নিম ব্যবহার করলে এটি হতে পারে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যরক্ষার একটি কার্যকর প্রাকৃতিক উপাদান।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন