মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

বয়সের বাধা নয়, মায়া ও যত্নই প্রেমকে স্থায়ী করে

বয়সের বাধা নয়, মায়া ও যত্নই প্রেমকে স্থায়ী করে
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সম্পর্ক এবং প্রেম নিয়ে মানুষের ধারণা সাধারণত নির্দিষ্ট বয়সের সাথে যুক্ত। অনেকেই মনে করেন ১৬-২০ বছর বয়সে প্রেমে পড়ার সময়, আর ৩৬-এর পর তা সম্ভব নয়। তবে মনোবিজ্ঞানী ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স শুধু সংখ্যা; সম্পর্কের প্রকৃতি নির্ধারণ করে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও মায়া।

প্রেম বনাম ভালোবাসা

প্রেম হলো কারও প্রতি আকর্ষণ বা ভালো লাগা। আর ভালোবাসা হলো সেই সম্পর্কের গভীরতা—যেখানে ভালো লাগার পরও একে অপরকে ছাড়তে না পারার মানসিকতা কাজ করে।

৩৬-এর পর সম্পর্কের প্রকৃতি

৩৬ বছর বয়সে প্রেমের মতো পাগলামি হয়তো থাকে না, কিন্তু সম্পর্কের মধ্যে থাকে—

  • মায়া ও যত্ন

  • শ্রদ্ধাবোধ

  • অঘাত বিশ্বাস

যে কেউ কারও মায়ায় জড়িয়ে পড়ে, সেই সম্পর্ক অনেক সময় মৃত্যু অব্দি স্থায়ী হতে পারে।  সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে এবং মানসিক বন্ধন শক্তিশালী হয়।

সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নিয়ম

সমাজের তৈরি নিয়ম অনুযায়ী বয়স ও আচরণকে প্রেম ও সম্পর্কের মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

  • এক কাপ চা শেয়ার করা

  • মনের না বলা কথা শেয়ার করা
    এই ধরনের সাদামাটা মুহূর্তও সম্পর্ককে শক্তিশালী করে। নিয়ম-নীতি ভঙ্গ নয়, বরং মানুষের অনুভূতিকে বোঝার বিষয়।

বয়স ৩৬ বা তার বেশি হলেও সম্পর্কের মান, প্রেম ও ভালোবাসার গভীরতা কমে না। প্রেম হলে তা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, কিন্তু মায়া, বিশ্বাস ও যত্নের সম্পর্ক জীবনভর স্থায়ী। সত্যিকার সম্পর্কের নাম হওয়া উচিত “মায়ার বন্ধন”, যা সময় ও বয়সের বাঁধা অতিক্রম করে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন