যাদুর প্রভাব কমাতে শরীরচর্চা ও রুকইয়ার সমন্বিত পদ্ধতি

যাদু, বদনজর ও হিংসার (হাসাদ) প্রভাব নিয়ে অনেকেই শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তিতে ভোগেন বলে মনে করেন। এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য কিছু ধর্মীয় আমল ও করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা।
তাদের মতে, নিয়মিত কিছু মাসনুন আমল ও শারীরিক কার্যক্রম একত্রে পালন করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে—ইনশাআল্লাহ।
ফজরের নামাজের পর সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন জিকির আদায় করে হালকা দৌড়াদৌড়ি বা দড়ি লাফ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে শরীর থেকে ঘাম ঝরবে, যা শরীরের ভেতরের অস্বস্তি দূর করতে সহায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
এরপর বাসায় ফিরে একটি বালতিতে স্বাভাবিক ঠান্ডা পানি নিয়ে উভয় হাত কনুইসহ ডুবিয়ে সেখানে দুরুদ, সুরা ফাতেহা, আয়াতুল কুরসি ও চার কুল তিনবার করে পাঠ করে আবার দুরুদ পড়ার পর সেই পানি দিয়ে গোসল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে কয়েকদিন এভাবে আমল করলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
যেসব লক্ষণকে সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হয়
ধর্মীয় ব্যাখ্যায় যাদু বা বদনজরের প্রভাবে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে বলে মনে করা হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
-
শরীর অতিরিক্ত দুর্বল লাগা ও সারাদিন ঝিমুনি ভাব
-
রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
-
শরীর বা মুখে কালচে দাগ বা ছোপ পড়া
-
চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
-
মানসিক অস্থিরতা, হতাশা বা বিষণ্নতা
-
খাবারে অরুচি
-
অ্যালার্জি বা অজানা শারীরিক সমস্যা
-
শরীরে শীত শীত ভাব বা জ্বালাপোড়া
-
মুড সুইং, অল্পতেই রেগে যাওয়া
-
এক জায়গায় বেশিক্ষণ স্থির থাকতে না পারা
এসব আমল বিশ্বাস ও আত্মশুদ্ধির অংশ হলেও দীর্ঘদিন শারীরিক বা মানসিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
দৈএনকে/জে, আ