২০১৮ সালের বিরতির পর বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা আমদানি পুনরায় শুরু

২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টার চালান।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো এই চালানকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস স্বাগত জানিয়েছে। চালানটিতে অন্তর্ভুক্ত ৫৭,৮৫৫ মেট্রিক টন হলুদ ভুট্টা, যা ২০২৫–২৬ ফসল মৌসুমে নর্থ ডাকোটা, সাউথ ডাকোটা ও মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে উৎপাদিত।
এই ভুট্টা চালান যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাঙ্কুভার বন্দর থেকে জাহাজে পাঠানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের খাদ্য ও কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, এই চালান বাংলাদেশে খাদ্য সরবরাহের নিরাপত্তা ও বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের এই আমদানি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় সূচিত করছে। বাংলাদেশে হলুদ ভুট্টার চাহিদা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গত আট বছরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পশুখাদ্য প্রস্তুতকারকদের প্রাণী পুষ্টির একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চমানের ভুট্টা ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে এই সরবরাহ।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট জাহাজটিকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের তিনটি প্রধান পশুখাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান—নাহার এগ্রো গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ এবং নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড—এর ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি জোট।
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শস্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গ্রেইন কর্পোরেশন (ইউজিসি)-এর একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘গত আট বছরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টার প্রথম চালানের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ এবং আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের শস্য সরবরাহ করতে আমরা আগ্রহী।’