মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

ঢাকার কাছে নতুন বছরের ছুটি: ইদ্রাকপুর দুর্গ

ঢাকার কাছে নতুন বছরের ছুটি: ইদ্রাকপুর দুর্গ
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

নতুন বছর মানেই আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর নতুন অভিজ্ঞতা। যদি ঢাকার ভিড় এবং শহুরে কোলাহল থেকে দূরে একটু শান্তি, ইতিহাস এবং প্রকৃতির নান্দনিকতা উপভোগ করতে চান, তাহলে ইদ্রাকপুর দুর্গ হতে পারে আপনার নতুন বছরের ছুটির সেরা গন্তব্য।

ঢাকাকে জলদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করতে মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে বাংলার সুবাহদার দ্বিতীয় মীর জুমলা এই দূর্গটি নির্মাণ করেন৷ নদী এবং আশেপাশের অঞ্চল রক্ষার জন্য এটি কৌশলগত গুরুত্ব বহন করত। বর্তমানে দুর্গের প্রাচীর, প্রাচীন গেট এবং কৌশলগত কাঠামো সেই সময়ের স্থাপত্যশৈলীকে রক্ষা করছে। ইতিহাসপ্রেমী এবং ফটোগ্রাফারদের জন্য এটি এক আকর্ষণীয় স্থান।

ঢাকা থেকে দূরত্ব ও যাতায়াত

দূরত্ব: প্রায় ৬০–৬৫ কিমি, তাই এক দিনের ট্রিপের জন্য আদর্শ।
গাড়ি/কার/মোটরবাইক: প্রায় ২–২.৫ ঘন্টা।
পাবলিক ট্রান্সপোর্ট: ঢাকার গুলিস্তান থেকে বাস, পরে অটো রিকশা দিয়ে দূর্গ পর্যন্ত পৌছানো যায়।

ভ্রমণ বাজেট

যাতায়াত খরচ: ৩০০–৭০০ টাকা
এন্ট্রি ফি: ৫০–১০০ টাকা (গাইড আলাদা)
খাবার ও পানীয়: ২০০–৪০০ টাকা
মোট এক দিনের বাজেট: ৭০০–১২০০ টাকা

ইদ্রাকপুর দূর্গের আশেপাশে রয়েছে ৪ টি মনোমুগ্ধকর ও গুরুত্বপূর্ণ নদী৷ মেঘনা, ধলেশ্বরী, ইছামতী ও শীতলক্ষ্যা। দূর্গে যেতে মাঝ পথে নদীর সৌন্দর্য যেনো উপরি পাওনা!  এছাড়া প্রাচীন প্রাচীর, দুর্গের গেট এবং নদীর পটভূমিতে ছবি তুলতে পারেন যে কেউ৷ ফলে ফটোগ্রাফার ও ছবি তুলতে ভালোবাসা মানুষদের জন্য এই জায়গা ভ্রমণ যেনো আরও বেশি আনন্দের৷  আর মুন্সিগঞ্জের মিষ্টি মুখে দিলেই যেনো মিলিয়ে যায়! বিখ্যাত ভাগ্যকুলের ঘোল কিংবা চিত্ত ঘোষের দোকানের পাতক্ষীর.. কোনোটাই একটা আরেকটার চেয়ে কম নয়! 

কেন এটি নতুন বছরের ছুটির জন্য সেরা?
ইদ্রাকপুর দুর্গে ঐতিহ্য, প্রকৃতি, খাবার এবং ফটোগ্রাফি সবকিছু মিলিয়ে একসাথে অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। শহরের কোলাহল থেকে দূরে একটি শান্ত পরিবেশে নতুন বছর উদযাপন করতে, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে দেখা এবং পিকনিক করা অত্যন্ত আনন্দদায়ক ৷ 


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ