সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • তফসিল নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ ইসির ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ জানাল ইএসডিও ‘স্বৈরাচার হেরেছে’ স্লোগানে মুখর দিল্লি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বাস রোববার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে, আগস্টেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ওপর জোর দিলেন তথ্যমন্ত্রী দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, একদিনে প্রাণ গেল একজনের ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভিসা সমস্যা সমাধানের আহ্বান শাপলা চত্বর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই হাম-উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, সর্বশেষ ৬ শিশুর সবাই ঢাকা বিভাগের
  • পাহাড় ও প্রকৃতির মিলনস্থল সাজেক ভ্যালি

    পাহাড় ও প্রকৃতির মিলনস্থল সাজেক ভ্যালি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। একে "রাঙ্গামাটির ছাদ" বা "পাহাড়ের রানী" বলা হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১,৮০০ ফুট।

    সাজেক ভ্যালির প্রধান আকর্ষণ

    • মেঘের সমুদ্র: সাজেকের প্রধান আকর্ষণ হলো মেঘের খেলা। ভোরবেলা এবং বিকেলে পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সাদা মেঘের ভেলা বা 'মেঘের সমুদ্র' দেখা যায়।
    • কংলাক পাহাড়: এটি সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া। এখান থেকে ভারতের মিজোরাম সীমান্তের পাহাড় এবং চারপাশের প্যানোরামিক ভিউ দেখা যায়।
    • রুইলুই পাড়া: পর্যটকদের থাকার প্রধান জায়গা। এখানকার সাজানো রাস্তা এবং রঙিন ঘরগুলো দেখতে অনেকটা বিদেশের পাহাড়ী গ্রামের মতো।
    • সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: পাহাড়ের চূড়া থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

    ভ্রমণের সঠিক সময় (২০২৬)

    সাজেক ভ্রমণের সেরা সময় হলো শীতকাল (অক্টোবর থেকে মার্চ)। তবে বর্ষাকালে পাহাড়ের সবুজ রূপ এবং মেঘের ঘনঘটা আরও বেশি পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত হোটেল ভাড়া এবং ভিড় কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

    যাতায়াত ব্যবস্থা

    সাজেক রাঙ্গামাটি জেলায় হলেও যাতায়াতের সহজ পথ হলো খাগড়াছড়ি হয়ে।

    ১. ঢাকা থেকে বাসযোগে প্রথমে খাগড়াছড়ি যেতে হবে।

    ২. খাগড়াছড়ি থেকে 'চাঁদের গাড়ি' (জিপ) ভাড়া করে সাজেক যেতে হয়। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা ও উঁচু-নিচু রাস্তা দিয়ে জিপে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত রোমাঞ্চকর।

    প্রয়োজনীয় তথ্য ও নিরাপত্তা

    • নিরাপত্তা: সাজেক এলাকাটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকে। নিরাপত্তার স্বার্থে বাঘাইহাট আর্মি চেকপোস্ট থেকে পর্যটকদের নির্দিষ্ট সময়ের (সকাল ১০টা ও দুপুর ৩টা) এসকর্ট বা কনভয় মেনে যাতায়াত করতে হয়।
    • থাকা-খাওয়া: এখানে অসংখ্য রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে (যেমন- মেঘপুঞ্জি, সাজেক রিসোর্ট, মেঘ মাচাং)। তবে পিক সিজনে যাওয়ার অন্তত ১-২ মাস আগে রুম বুকিং দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

    সতর্কতা: পাহাড়ি এলাকায় পানির স্বল্পতা থাকতে পারে, তাই মিতব্যয়ী হওয়া জরুরি। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং বিদ্যুৎ মাঝে মাঝে বিভ্রাট ঘটাতে পারে।

    ২০২৬ সালে ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে বর্তমানে সচল রিসোর্টগুলোর আপডেট তালিকা ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী দেখে নিতে পারেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ