সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের মামলার আদেশ পেছালো

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) গুম-নির্যাতনের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আগামী মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই মামলার শুনানি চলমান। আজ, রোববার, ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরপ্রাপ্ত), র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
তাদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। আদালত দুদিনের জন্য আদেশ পিছিয়ে ২৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এই বিলম্বের পেছনে আসামিপক্ষের চেষ্টা উল্লেখ করেন।
মামলার অন্য পলাতক আসামিরা হলেন: শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছিল। শুনানিতে টিএফআই সেলের বীভৎসতা তুলে ধরা হয়েছিল। ২২ অক্টোবর ২০২৫ সালে সেনা হেফাজতে থাকা ১০ কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় এবং গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।