শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জাপান সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় হেফাজতে বন্ধু দীপ মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫
  • ডায়াবেটিস ও সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চমকপ্রদ ৫টি পানীয়

    ডায়াবেটিস ও সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চমকপ্রদ ৫টি পানীয়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আপনি দিনে কী পান করেন, তা প্রায়শই আপনার রক্তে শর্করার মাত্রার উপর প্রভাব ফেলে, এমনকি খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। গবেষণা দেখায়, কিছু সাধারণ ও সহজলভ্য পানীয় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং হঠাৎ করে সুগার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হতে পারে। সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, এর জন্য জটিল নিয়ম বা ব্যয়বহুল সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন নেই।

    নিচে কিছু কার্যকর এবং সহজলভ্য পানীয় তুলে ধরা হলো:

    ১. কফি
    নিয়মিত কফি (ক্যাফেইনযুক্ত বা ডিক্যাফ) টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। কফির ফাইটোকেমিক্যাল লিভার ও প্যানক্রিয়াসের কোষকে সমর্থন করে, যা ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা রক্ষায় সহায়ক। তবে চিনি বা মিষ্টি লাটে এ ধরনের সুবিধা নষ্ট করে, তাই সাধারণ কফি বা সামান্য দারচিনি মিশিয়ে খাওয়া উত্তম।

    ২. কালো চা
    কালো চা ইনসুলিন প্রতিরোধ কমাতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ হ্রাস করতে সাহায্য করে। উলং চা ও কালো চা উভয়ই রক্তে সুগারের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। অতিরিক্ত চিনি এড়ানো উচিত; স্বাদ কম মনে হলে অচিনি চা ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ৩. সবুজ চা
    উপবাসকালে সবুজ চা সামান্যভাবে রক্তের গ্লুকোজ কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যাটেচিন কিছু কার্বোহাইড্রেট শোষণ বাধা দেয় এবং গ্লুকোজ মেটাবলিজম উন্নত করে। ফলাফল মিশ্র হলেও এটি কম ক্যালরিযুক্ত এবং মেটাবলিজমের জন্য সহায়ক।

    ৪. দুধ
    কেসিন ও হুই প্রোটিনের মতো দুগ্ধপ্রোটিন খাবারের পর রক্তে সুগারের উত্থান কমাতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে, এক কাপ দুধে প্রায় ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, তাই ডায়াবেটিস থাকলে তা খাদ্য পরিকল্পনায় বিবেচনা করা উচিত। কম-চর্বি বা ননফ্যাট দুধ গ্রহণ করা উত্তম।

    ৫. টমেটোর রস
    টমেটোর রস খাবারের আগে পান করলে রক্তে সুগারের হঠাৎ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার হজম ধীর করে এবং গ্লুকোজের ধীরে বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

    ছোট কিন্তু নিয়মিত এই পরিবর্তনগুলো দৈনন্দিন রক্তে সুগারের নিয়ন্ত্রণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। চিনি যুক্ত পানীয়ের পরিবর্তে কফি, চা, দুধ বা টমেটোর রসের মতো সহজ পানীয় গ্রহণ করলে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে। তবে খাদ্য, শারীরিক কার্যক্রম, ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন