বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • ৪০০ বছর ধরে চাপ জমেছে এক ফল্টে, ভূমিকম্প ঝুঁকিতে যে দুই জেলা

    ৪০০ বছর ধরে চাপ জমেছে এক ফল্টে, ভূমিকম্প ঝুঁকিতে যে দুই জেলা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশের নিচের ভূখণ্ডে ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও বার্মা এই তিনটি টেকটোনিক প্লেটের ক্রমাগত নড়াচড়ার ফলে দেশটি ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই নড়াচড়ার প্রভাবে ডাউকি, মধুপুর ও সিলেট লাইনমেন্টসহ বেশ কয়েকটি সক্রিয় ফল্ট লাইন তৈরি হয়েছে। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাব্য উৎস হলো মধুপুর ফল্ট।

    গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, মধুপুর ফল্টে প্রায় ৪০০ বছর ধরে চাপ জমে আছে। এই চাপ হঠাৎ মুক্তি পেলে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৮ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। রাজধানী ঢাকা এই ফল্ট থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ায় ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মাত্র ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলেও ঢাকার ৪০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভবন ধসে পড়তে পারে।

    ২০০৭ সালে মধুপুর ফল্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি সিসমোগ্রাফ স্থাপন করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেই যন্ত্রের কোনো হদিস নেই। ফলে মধুপুর গড় ও আশপাশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার সঠিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে না।

    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) নরসিংদী কেন্দ্রিক ভূমিকম্পের পর মধুপুর এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সরকার আগেই টাঙ্গাইলকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে উল্লেখ করলেও ভূমিকম্পের পূর্বাভাস জানা যায় না, যা তাদের অপ্রস্তুত রাখে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন জানান, সচেতনতা ও প্রস্তুতি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “পরিকল্পিত নির্মাণ ও সঠিক তদারকি থাকলে ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।”

    এমবিএসটিইউ-এর পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এএসএম সাইফুল্লাহ বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে মধুপুর অঞ্চলে ভূমিকম্পজনিত ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে নতুন যন্ত্রপাতি আনার প্রক্রিয়া চলছে।

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের এক ভূমিকম্পে মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়নের বোকারবাইদ গ্রামে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছিল। ফাটলের ব্যাস ছিল ৫–৬ ইঞ্চি এবং গভীরতা প্রায় ২৫–২৬ ফুট।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন