বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • মৃত্যুর কারণ হতে পারে অতিরিক্ত হাসি!

    মৃত্যুর কারণ হতে পারে অতিরিক্ত হাসি!
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    হাসি সাধারণত আনন্দ, প্রশান্তি ও সুস্থতার প্রতীক। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভুলভাবে বা অতিরিক্ত হাসা ক্ষতিকর ও প্রাণঘাতী হতে পারে।

    ‘দ্য ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোরে বা দীর্ঘ সময় হাসার ফলে শরীরে একাধিক শারীরবৃত্তীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ১৯৪৬ সাল থেকে ৭০ বছরের রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, অতিরিক্ত হাসার কারণে কেউ জ্ঞান হারাতে পারেন, হৃৎস্পন্দনের ছন্দ বদলে যেতে পারে, এমনকি কণ্ঠনালিতে ছিদ্রও তৈরি হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জোরে হাসলে শরীরের বহু পেশি একসঙ্গে সঙ্কুচিত হয়, এতে হঠাৎ রক্তচাপের পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে চাপ সৃষ্টি হয়।

    অতিরিক্ত হাসির কুপ্রভাব:

    রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে : অতিরিক্ত বা দীর্ঘ সময় হাসলে রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে। এতে কেউ অল্প সময়ের জন্য জ্ঞান হারাতে পারেন। আবার কারও ক্ষেত্রে এই চাপ বুকে জটিলতা সৃষ্টি করে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, যদিও এ ধরনের ঘটনা বিরল।

    হৃদ্‌রোগীদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি : হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে জোরে হাসা বিপজ্জনক হতে পারে। এতে হৃদ্‌স্পন্দনের ছন্দে পরিবর্তন ঘটতে পারে বা হৃদ্‌যন্ত্রের ভাল্ব দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

    খাদ্যনালির ক্ষতি : জোরে হাসার ফলে ‘ইসোফেগাস’ বা খাদ্যনালির সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ পরিস্থিতিতে এতে ছিদ্র পর্যন্ত তৈরি হতে পারে, যা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করে। এছাড়া, স্বরযন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    স্নায়ুর ক্ষতি : হাসির সময় শরীরে দমবন্ধ করা চাপ তৈরি হলে সেটি স্নায়ুর ক্ষতি ঘটাতে পারে।

    অনিয়ন্ত্রিত মল-মূত্র ত্যাগের ঝুঁকি : শরীরের নিচের অংশের পেশি দুর্বল হলে জোরে হাসা অনিচ্ছাকৃতভাবে মল বা প্রস্রাবের বেগ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে।

    চোখে চাপ ও রক্তপাতের আশঙ্কা : জোরে হাসলে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, ফলে চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। বিরল কিছু ক্ষেত্রে চোখের স্নায়ু ছিঁড়ে রক্তপাত পর্যন্ত হতে পারে।

    হাসি নিঃসন্দেহে মন ও শরীরের জন্য উপকারী। তবে যেকোনো কিছু অতিরিক্তই বিপজ্জনক। গবেষকেরা বলছেন, হাসুন, তবে সংযমের সঙ্গে। শরীরের সাড়া শুনে হাসুন। আনন্দের জন্য হাসা দরকার, কিন্তু প্রাণের বিনিময়ে নয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন