প্রকৃতি সেজেছে শরতের কাশফুলে

শরতের আগমনের বার্তা নিয়ে সাদা কাশফুলে প্রকৃতি সেজেছে তার আপন রুপে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে সৌন্দর্য ও প্রশান্তির প্রতীক কাশফুল। ছয় ঋতুর এই দেশে প্রত্যেক ঋতুর আলাদা রুপ ও বৈচিত্র্য রয়েছে সেটি বহন করে এবারও শরৎ এসেছে। তীব্র গরম আর কাঠফাটা রোদে ময়ূরের মতো কাশফুলের পালকের অপরুপ সৌন্দর্য মন জুড়ায় সব বয়সী মানুষের।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পথের ধারে, গ্রাম-গঞ্জের জমির আইলে .পুকুর পারে, নদীর ধারে, মাঠে-ঘাটে শোভা পাচ্ছে কাশফুল। মূলত ছন গোত্রীয় এই ঘাস কমবেশি সব অঞ্চলেই দেখা যায়। কাশফুল পালকের মতো নয় এবং রং ধবধবে সাদা। গাছটির চিরল পাতা খুব ধারালো, খসখসে। গ্রাম্য এলাকায় জালানী, ঝাড়ু এবং ঘর ও পানের বরজের ছাউনি হিসেবে ব্যবহুত হয়।
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকেরমতে, কাশফুলেে বেশ কিছু ঔষধি গুনাগুন রয়েছে। যেমন পিত্তথলিতে পাথর নিমূলে এবং ব্যথানাশক ঢোড়ার চিকিৎসায় ব্যবহুত হয়।
এসময় দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে মো. মোসলেম সরদার বাড়ির পাশে দেখা মেলে নান্দনিক সৌন্দর্যের কাশফুল। কাশফুলের গাছগুলো প্রাকৃতিকভাবেই জম্ম হয়। বেড়ে ওঠার সময় চোখে না পড়লেও ফুল ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই সবার দৃষ্টি আকর্ষন হয়। কাশফুলের বাগানে ঘুরতে আশা তামিম হোসেন, ইমাম হোসেন ও সবুজ মিয়া জানান, কাশফুল আমাদের ভালোলাগে । তাই বন্ধুরা মিলে ঘুরতে এসেছি। কিছু কাশফুল তুলে মায়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। মা দেখলে খুব খুশি হবেন।
বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোসলেন সরদার জানান, কাশফুলের সৌন্দর্য মানুষের মনে প্রশান্তি আসে। আগে অনেক দেখা যেত । বর্তমানে এর সংরক্ষন করা প্রয়োজন।
দৈএনকে/জে .আ