বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পাকিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ভারতের প্রকাশ্য অসন্তোষ কালকিনির বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটির তালিকা ও গঠনতন্ত্র প্রদান সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে ইসি ডেঙ্গু শনাক্তে বাংলাদেশকে ৫ লাখ পরীক্ষার কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি
  • পাকিস্তান-সৌদি আরবের যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি কার্যকর

    পাকিস্তান-সৌদি আরবের যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি কার্যকর
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পাকিস্তান ও সৌদি আরব সম্প্রতি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, যদি উভয় দেশের মধ্যে কোনো একটির বিরুদ্ধে আগ্রাসন সংঘটিত হয়, তাহলে তা উভয়ের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য হবে। এই প্রেক্ষাপটে উভয় দেশ একে অপরকে রক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই দেশ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার পথে এগোচ্ছে। খবর জিও নিউজের।

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সৌদি আরব সফরের সময় বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সফরকালে আল-ইয়ামামা প্রাসাদে তাকে স্বাগত জানান সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান।

    চুক্তি স্বাক্ষরের পর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভ্রাতৃত্ব, ইসলামি সংহতি ও অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে এবং প্রায় আট দশকের দীর্ঘ অংশীদারত্বের ওপর দাঁড়িয়ে দুই পক্ষ কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।’

    এতে আরও বলা হয়, এই চুক্তি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদার এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তিতে অবদান রাখার যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও উন্নত করা এবং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ শক্তিশালী করাই এর লক্ষ্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ‘যে কোনো এক দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন মানেই উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন।’

    সম্প্রতি ইসরায়েল কাতারের রাজধানী দোহায় হামলা চালিয়ে হামাসের নেতাদের টার্গেট করার কয়েক দিন পরই এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। এ হামলায় মুসলিম বিশ্ব ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা এ চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন অগ্রগতি’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পদক্ষেপ শুধু পাকিস্তান–সৌদি সম্পর্ককেই দৃঢ় করছে না, বরং দক্ষিণ এশিয়া ও মুসলিম বিশ্বের জন্যও এর গুরুত্ব রয়েছে। এতে পাকিস্তানকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার সবচেয়ে সক্ষম মুসলিম শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হলো।

    এ সময় পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ এবং অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব উপস্থিত ছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন