বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পাকিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ভারতের প্রকাশ্য অসন্তোষ কালকিনির বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটির তালিকা ও গঠনতন্ত্র প্রদান সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে ইসি ডেঙ্গু শনাক্তে বাংলাদেশকে ৫ লাখ পরীক্ষার কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি
  • লিবিয়ার সমুদ্রপথে নৌকায় আগুন, ৫০ জনের প্রাণহানি

    লিবিয়ার সমুদ্রপথে নৌকায় আগুন, ৫০ জনের প্রাণহানি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    উত্তর আফ্রিকার লিবিয়ার উপকূলে সুদানি শরণার্থী বহনকারী নৌকায় অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, নৌকায় মোট ৭৫ জন আরোহী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরা এ তথ্য প্রকাশ করে।

    জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ২৪ জনকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছে। সংস্থাটি এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছে,‘সমুদ্রপথে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।’

    এর আগেও এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত মাসে ইয়েমেন উপকূলে একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৬৮ শরণার্থী ও অভিবাসী মারা যান এবং নিখোঁজ হন আরও অনেকে।

    আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মাত্র এক বছরেই ভূমধ্যসাগরে অন্তত ২ হাজার ৪৫২ অভিবাসী বা শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। ইউরোপমুখী সমুদ্রপথ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী রুট হিসেবে চিহ্নিত।

    ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই দেশটি ইউরোপগামী অভিবাসীদের ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। বর্তমানে লিবিয়ায় প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার অভিবাসী অবস্থান করছেন। গাদ্দাফির শাসনামলে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা তেলসমৃদ্ধ লিবিয়ায় কাজ পেতেন কিন্তু তার পতনের পর থেকে দেশটি মিলিশিয়াদের সংঘাতে জর্জরিত।

    এই দুর্ঘটনাও আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী শরণার্থীদের বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার সর্বশেষ উদাহরণ। গত আগস্টে ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপের কাছে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়, আর জুন মাসে লিবিয়া উপকূলে দুটি জাহাজডুবিতে ৬০ জন মারা যান বা নিখোঁজ হন।

    অধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ সংস্থাগুলো বলছে, লিবিয়ায় শরণার্থী ও অভিবাসীরা নিয়মিত নির্যাতন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়।

    এদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন লিবিয়ার কোস্টগার্ডকে অভিবাসন ঠেকাতে সরঞ্জাম ও অর্থসহায়তা প্রদান করেছে। তবে কোস্টগার্ডের সঙ্গে নির্যাতন ও অপরাধে জড়িত মিলিশিয়ার সম্পর্ক থাকার অভিযোগ উঠেছে।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ইউরোপের রাষ্ট্রগুলো রাষ্ট্রীয় উদ্ধার অভিযান ধাপে ধাপে বন্ধ করায় সমুদ্রযাত্রা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দাতব্য সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাষ্ট্রের দমনমূলক পদক্ষেপও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

    ফলে সংঘাত ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা বহু মানুষ লিবিয়ায় আটকা পড়েছে এবং অমানবিক পরিস্থিতিতে বন্দিশিবিরে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন