ইয়েমেনি হুতিদের ড্রোনে ইসরায়েলের দুই স্থাপনায় বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে একযোগে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি বাহিনী। টার্গেট করা হয় রামন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নেগেভ মরুভূমি অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা।
হামলার পর এক বিবৃতিতে হুতি নেতৃত্ব জানায়, ইসরায়েলের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই তাদের দৃঢ় সংকল্পকে ভাঙতে পারবে না। বরং এই হামলা তাদের প্রতিরোধের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করেছে। তারা স্পষ্ট করে জানায়, ফিলিস্তিনের মুক্তির সংগ্রামে ইয়েমেন সর্বদা পাশে থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলাকে বড় ধরনের বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, হুতিদের এই পদক্ষেপ ইসরায়েলকে চাপের মুখে ফেলবে এবং আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনি সেনা ও সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এক ঘোষণায় বলেছেন, চারটি ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলের একাধিক স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইয়েমেনি বিমান বাহিনী।
তিনি জানান, তিনটি ড্রোন উম্ম আল-রাশরাশ (আইলাত) অঞ্চলের রামন বিমানবন্দরকে আঘাত করে এবং চতুর্থ ড্রোন ব্যবহার করে নেগেভ অঞ্চলের একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
সারির দাবি অনুযায়ী, তাদের ছোড়া সবকয়টি ড্রোনই সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে।
এ সময় হুতি মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, ইয়েমেন তার ধর্মীয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করছে এবং সাহসিকতার সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষা করবে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীর আন্দোলনের প্রতি ইয়েমেনের অবস্থানকে দুর্বল করার সব প্রচেষ্টা অতীতের মতো এবারও ব্যর্থ হবে।