বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পাকিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ভারতের প্রকাশ্য অসন্তোষ কালকিনির বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটির তালিকা ও গঠনতন্ত্র প্রদান সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে ইসি ডেঙ্গু শনাক্তে বাংলাদেশকে ৫ লাখ পরীক্ষার কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি
  • সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি: মণিপুরে মোদি

    সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি: মণিপুরে মোদি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথমবারের মতো উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর সফর করেছেন। দুই বছর আগে এই রাজ্যে জাতিগত সহিংসতায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। শনিবার এই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে মণিপুরে পৌঁছান মোদি।

    বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন আসাম ও মণিপুর রাজ্যে তিন দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি মণিপুরের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। এছাড়া তিনি সফরের অংশ হিসেবে তৃতীয় সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য বিহারেও যাবেন, যেখানে বসবাস করছে অন্তত ১৩ কোটি মানুষ।

    বিহারে আগামী অক্টোবর কিংবা নভেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে নরেন্দ্র মোদির এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। ভারতের উত্তরাঞ্চলের হিন্দিভাষী রাজ্যগুলোর মধ্যে একমাত্র রাজ্য বিহার। এই রাজ্যে নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কখনোই এককভাবে ক্ষমতায় আসতে পারেনি।

    শুধু তাই নয়, ভারতের অন্যতম দরিদ্রতম রাজ্যও বিহার। সফরে গিয়ে এই রাজ্যে ৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে মোদির। এই বিনিয়োগ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের কৃষি, রেল সংযোগ, সড়ক উন্নয়ন এবং একটি বিমানবন্দর টার্মিনাল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে ২০২৩ সালের মে মাসে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় হিন্দু মেইতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ ও খ্রিস্টান কুকি সম্প্রদায়ের মাঝে ভয়াবহ সংঘাত হয়। রাজ্যের এই সহিংসতায় ২৫০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি এবং আরও কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা বর্তমানে সরকারের অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করছেন।

    রাজ্যের কুকি অধ্যুষিত চুরাচাঁদপুরে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশে শনিবার মোদি বলেছেন, ‌‌‘‘মণিপুরে মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। আজ আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। ভারত সরকার মণিপুরের মানুষের সঙ্গে আছে।’’

    তিনি রাজ্যের অন্যান্য সব গোষ্ঠীকে স্বপ্ন পূরণের জন্য শান্তির পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মেইতেই সম্প্রদায় অধ্যুষিত রাজ্যের রাজধানী ইমফলেও একটি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ারও কথা আছে নরেন্দ্র মোদির।

    ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী এর আগে সর্বশেষ মণিপুর সফর করেছিলেন ২০২২ সালে। মিয়ানমারের সীমান্ত ঘেঁষা এই রাজ্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    সফরের প্রথম দিনে মণিপুরে ৯৬ কোটি ডলারের উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই উন্নয়ন প্রকল্পের মাঝে রাজ্যের পাঁচটি মহাসড়ক ও একটি নতুন পুলিশ সদর দপ্তর নির্মাণও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক দল বিজেপির সদস্য ছিলেন মণিপুরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। রক্তপাত থামাতে ব্যর্থতা ঘিরে শুরু হওয়া সমালোচনার মুখে গত ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর থেকে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এই রাজ্য সরাসরি নয়াদিল্লি থেকে পরিচালিত হচ্ছে।

    মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি ও সরকারি চাকরির কোটা ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীরা অভিযোগ করে বলেছেন, রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের স্বার্থে রাজ্যের এই বিভাজনে উসকানি দিচ্ছেন।


    সূত্র: রয়টার্স।
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন