বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • নিয়মিত খাবার যা সাহায্য করে ক্যান্সার প্রতিরোধে

    নিয়মিত খাবার যা সাহায্য করে ক্যান্সার প্রতিরোধে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসা বিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট-এর এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই স্তন, লিভার, মলাশয়, মলদ্বার, পিত্তথলি ও অগ্ন্যাশয়সহ প্রায় ১৭ প্রকার ক্যান্সার ধরা পড়ছে।

    গবেষকেরা বলছেন, জিনগত কারণের পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে এ ঝুঁকি কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই কোন খাবারগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।

    টক দই

    প্রোবায়োটিক ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় সমৃদ্ধ টক দই শরীরের ক্ষতিকারক জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-৬, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের গবেষণা বলছে, টক দই নিয়মিত খেলে কোলন, ফুসফুস ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

    দইয়ের ঘোল

    দইয়ের ঘোলে থাকা প্রোবায়োটিক শরীরের প্রদাহ কমায়। এতে রয়েছে ভিটামিন বি, পটাশিয়াম, প্রোটিন ও খনিজ। গবেষণায় দেখা গেছে, এর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট উপাদান কোষের অনিয়মিত বিভাজন ঠেকিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    পনির

    পনির প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও সেলেনিয়ামের একটি ভালো উৎস। সেলেনিয়াম অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে, কোষের প্রদাহ কমিয়ে শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। তবে পনির সবসময় পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ঘি

    ঘিতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা তুলনামূলক কম। গবেষণায় পাওয়া গেছে, ঘিতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড ক্যান্সার কোষ তৈরি হতে বাধা দেয়। পাশাপাশি বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটিয়ে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পরিমিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চললে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন