বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পছন্দের পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যে মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্তরায় নারী উদ্যোক্তার রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সস্তা বাহবা নিতে আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে: রিজভী বিজয়নগরে  নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চাচাতো ভাই আটক ডেঙ্গু-হামের প্রকোপে উদ্বেগ, ২৪ ঘণ্টায় ১৭ মৃত্যু ও হাসপাতালে ৩,৩৬৬ জন আশরাফুলের বিদায়ে দলে বড় প্রভাব পড়বে না, মনে করেন শান্ত উইন্ডোজ ১১ থেকেই চালান স্মার্টফোন, যেভাবে চালু করবেন ফোন লিংক পিছিয়ে গেল এইচএসসির ফল প্রকাশ, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন এলিজা জামান
  • শ্রীপুরে সহকারী শিক্ষিকার দাপটে বিদ্যালয়ে অস্থিরতা

    শ্রীপুরে সহকারী শিক্ষিকার দাপটে বিদ্যালয়ে অস্থিরতা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকার আচরণ নিয়ে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম ওমর ফারুক অভিযোগ করেছেন, সহকারী শিক্ষিকা ফারজানা ইয়াসমিন তার বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা দাবি এবং বিদ্যালয়ে যোগদানে বাধা সৃষ্টি করছেন।

    প্রধান শিক্ষক জানান, চিকিৎসাজনিত ছুটি শেষে গত ২৪ জুন বিদ্যালয়ে যোগদান করতে গেলে সহকারী শিক্ষিকাকে প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসা অবস্থায় পাওয়া যায়। হাজিরা খাতা তালাবদ্ধ রাখা হয় এবং সেদিন কোনো ক্লাস পরিচালনা না করে তিনি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিজের হাতে নেন। এমনকি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে তিনি দাবি করেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অনুমতি ছাড়া প্রধান শিক্ষক যোগদান করতে পারবেন না।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষিকা বিদ্যালয়ের চেক বই দখলে নিয়ে অর্থ উত্তোলন করছেন, শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডের নামে অর্থ আদায় করছেন এবং প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে গাইড বই চালু করেছেন। বিদ্যালয় ভবন ও কক্ষ ইজারার মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    এস এম ওমর ফারুক আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষিকা একাধিকবার ভাড়াটে লোক দিয়ে তাকে হুমকি দিয়েছেন এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। টাকা না দেওয়ায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাকে মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হয়।

    এ ঘটনায় উপজেলায় অভিযোগ জানালেও তা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষক। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করার পরও সহকারী শিক্ষিকার আচরণ অপরিবর্তিত থাকে।

    তিনি আরও জানান, এসব ঘটনার কারণে সাত মাস ধরে তার বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। পরিবারের পাঁচ সদস্য নিয়ে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমনকি বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা রহিমা খাতুনের মৃত্যুকেও তিনি এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করেন। তার দাবি, ভয়ভীতি ও চাপের কারণে ২০২৪ সালের নভেম্বরে রহিমা খাতুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা ফারজানা ইয়াসমিনের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে প্রধান শিক্ষক বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, বকেয়া বেতন প্রদানের ব্যবস্থা এবং কর্মস্থলে অবাধে যোগদানের নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
     


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন