রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রোববার নারায়ণগঞ্জের ৫ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না মার্কিন হামলাকে শান্তিচুক্তির লঙ্ঘন বলছে ইরান আইসিসিকে ১৪ পাতার চিঠিতে কী লিখেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল? ফেসবুক পোস্টে রহস্যময় বার্তা দিলেন মাহফুজ আলম এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, ১৫ বছর পর নবায়ন বাধ্যতামূলক! হরমুজে ট্যাংকারে হামলার পর নতুন করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭০৮ ২০২৮ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া-চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য বন্ধু: শফিকুর রহমান দ্বিপাক্ষিক সফরে দেশ ও জনগণের স্বার্থই ছিল অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
  • বিদায়ী হজের নবীজির ভাষণ

    বিদায়ী হজের নবীজির ভাষণ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইতিহাসের এক স্মরণীয় মুহূর্ত নবীজির বিদায়ী হজের ভাষণ, মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরাফার ময়দানে এক মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও পূর্ণাঙ্গ বার্তা প্রদান করেন।

    এ ছিল তার শেষ হজ, যা বিদায় হজ নামে পরিচিত। এই ভাষণে তিনি বিশ্ববাসীর জন্য রেখে গেছেন শান্তি, সাম্য ও মানবিকতার শিক্ষা।

    চলুন, সেই ঐতিহাসিক ভাষণটির প্রতি ফিরে দেখি।জিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফাতের ময়দানে গমন করে নবীজি (সা.) এক বিস্তারিত ও অলংকারপূর্ণ ভাষণ প্রদান করেন, ছিল হিতোপদেশ ও বিধিবিধান সম্বলিত মহান আল্লাহ্ তাআলার সর্বশেষ নবীর সর্বশেষ পয়গাম।

    বিশেষ করে এর নিম্ন-বর্ণিত বাণী সমূহ প্রতিটি মুসলমানকে তার হৃদয়-পটে অঙ্কিত করে রাখা উচিত। নবীজি বললেন, হে লোকসকল ! তোমরা আমার কথা শ্রবণ কর, যাতে আমি তোমাদের জন্য যাবতীয় প্রয়োজনীয় বিষয় বলে দিতে পারি। আগামী বছর পুনরায় তোমাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারবো কি-না তা আমার জানা নাই।

    অত:পর বললেন, তোমাদের নিকট কেয়ামতের দিন পর্যন্ত প্রত্যেক মুসলমানের জানমাল, ইজ্জত-সম্মান ঠিক তেমনিভাবে সম্মানিত যেমনিভাবে আজকের (আরাফার) এই দিন, এই (জিলহজ) মাস এবং এই (মক্কা) নগরী তোমাদের কাছে সম্মানিত। এইজন্য কারো কাছে কারো কোনো আমানত থাকলে তা অবশ্যই আদায় করে দিবে।

    অতঃপর বললেন, হে লোকসকল ! তোমাদের উপর তোমাদের স্ত্রীগণের কিছু অধিকার আছে। তাদের উপরও তোমাদের কিছু অধিকার আছে। তোমরা সকলেই পরস্পর ভাই ভাই। কারো জন্য তার ভাইয়ের মাল তার অনুমোদন ছাড়া হালাল হবে না। আমার পরে তোমরা কাফের হয়ে যেয়ো না। এবং একে অন্যকে হত্যা করিও না। 

    আমি তোমাদের জন্য আমার পরে আল্লাহর কিতাব রেখে যাচ্ছি। যদি তোমরা এর নির্দেশাবলি  শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো, তাহলে কখনও তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না।

    অতঃপর বললেন, হে লোকসকল ! তোমাদের পালনকর্তা এক, তোমাদের পিতা এক, তোমরা সকলে এক আদমের সন্তান এবং আদম মাটি হতে সৃষ্ট। তোমাদের মধ্যে সে-ই সর্বাপেক্ষা অধিক সম্মানিত, যে সর্বাপেক্ষা শতাধিক খোদা-ভীরু। কোন আরব কোন অনারবের উপর খোদা-ভীরুতা ব্যতীত শতাধিক মর্যাদাবান ও সম্মানী হতে পারে না। মনে রেখো, আমি আল্লাহর বাণী তোমাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছি। 

    হে আল্লাহ ! তুমি সাক্ষী আছো যে, আমি তোমার বাণী পৌঁছে দিয়েছি। উপস্থিত লোকদের উচিত, তা যেন অনুপস্থিতদের নিকট আমার এই সমস্ত বাণী পৌঁছে দেয়।


    দৈএনকে/জে,আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন