বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj

রাশিয়ার চেয়ে ইউক্রেনকে সামলানো বেশি কঠিন হচ্ছে: ট্রাম্প

রাশিয়ার চেয়ে ইউক্রেনকে সামলানো বেশি কঠিন হচ্ছে: ট্রাম্প
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, শান্তিপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করা সহজ হতে পারে। ওয়াশিংটনে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মস্কোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভালো যোগাযোগ রয়েছে, তবে কিয়েভের সঙ্গে সমন্বয় করাটা তুলনামূলকভাবে বেশি কঠিন হয়ে উঠছে।

এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে অবশ্য ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, রাশিয়ার ব্যাংক খাতের ওপর বড় পরিসরে নিষেধাজ্ঞা দিতে চান তিনি। দেশটির পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপও করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে কিয়েভের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আগপর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলেও জানান ট্রাম্প।

এদিকে আগামী সপ্তাহে সৌদিতে ইউক্রেনের সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বৈঠকের আয়োজনের সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি এবং ইউক্রেনে স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য তার চলমান প্রচেষ্টার পুনর্নিশ্চিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর ওভাল অফিসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তির খসড়া প্রস্তুতের জন্য আমরা ইউক্রেনের সরকারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছি। আগামী সপ্তাহে সৌদিতে সেই বৈঠক হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং আমি সেখানে উপস্থিত থাকব।”

যদিও ইতোমধ্যে ইউক্রেনকে সব ধরনের সামরিক সহায়তা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র কিছু স্যাটেলাইট চিত্রে ইউক্রেনের প্রবেশাধিকার সাময়িক স্থগিত করেছে। মহাকাশ প্রযুক্তি সংস্থা ম্যাক্সার বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ানোর সপ্তাহখানেক পর এসব ঘটছে। ওই বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছিলেন, জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রকে অসম্মান করেছেন।

এদিন ট্রাম্প বলেন, পুতিন যুদ্ধ বন্ধ করতে চান—এটা তার বিশ্বাস। তবে ইউক্রেনের বিষয়ে একই কথা বলতে পারছেন না তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘ইউক্রেন মীমাংসার পথে আসতে চায়-এটা আমি জানতে চাই। তবে আমি সত্যিই জানি না যে ইউক্রেন সেটা আদতে চায় কি না।’


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন