রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নিজের সুবিধামতো আইন করে স্বৈরশাসক টিকতে পারেনি: মঞ্জু শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: প্রতিমন্ত্রী চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অগ্রগতি ও ক্যাপাসিটি চার্জের হিসাব চায় সংসদীয় কমিটি হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু ‘সোলার ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ ও আমদানি ব্যয় কমবে’: অর্থমন্ত্রী যান্ত্রিক ত্রুটিতে ঢাকায় বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ১৬ অক্টোবর দিল্লিতে পদযাত্রার পর সভানেত্রী নেহা বোরা আটক
  • নিজের সুবিধামতো আইন করে স্বৈরশাসক টিকতে পারেনি: মঞ্জু

    নিজের সুবিধামতো আইন করে স্বৈরশাসক টিকতে পারেনি: মঞ্জু
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নিজের সুবিধামতো আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করে কোনো স্বৈরশাসক টিকে থাকতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তাঁর মতে, সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীর অস্পষ্ট ধারাগুলো বিরোধী মত ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।

    শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী—বাক্‌স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি এ সভার আয়োজন করে।

    মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জনগণের ভোটে বারবার নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ বিএনপির থাকলেও ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে গিয়ে তৈরি করা কালাকানুনের অপপ্রয়োগের প্রধান শিকারও দলটি হয়েছে।

    সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীর ২৬/ক ধারায় ‘অযাচাইকৃত তথ্য’ ছড়ানোকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মঞ্জুর আশঙ্কা, ধারাটির অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে সরকার বিরোধী মত ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে আইনটি প্রয়োগ করতে পারে।

    এ প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একটি বক্তব্যের উদাহরণ দেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, প্রশাসক একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলকে ইঙ্গিত করে তাঁর ৭০০টি অটোরিকশা থাকার দাবি করেছেন। এ ধরনের বক্তব্যকে অযাচাইকৃত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসকের বিরুদ্ধেও একই আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমন ক্ষেত্রে ওই প্রশাসকেরও ১০ বছরের কারাদণ্ড হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন মঞ্জু।

    বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দখলদারির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তাঁদের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয়, তারেক রহমান তাঁদের নামকাওয়াস্তে নেতা। বাস্তবে তাঁদের ‘আধ্যাত্মিক ও নির্বাহী নেতা’ শেখ হাসিনা।

    সাইবার জগতে অশালীন ভাষা ও মন্তব্যের বিচার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মঞ্জু। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেউ অশালীন মন্তব্য করলে দ্রুত গ্রেপ্তার বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে গালিগালাজ ও অশ্লীলতার ঘটনায় একই ধরনের বিচার দেখা যায় না।

    আইন প্রয়োগে এমন দ্বৈত নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, নিজের সুবিধামতো আইন তৈরি ও প্রয়োগ করে কোনো স্বৈরশাসক টিকে থাকতে পারেনি।

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম-সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সাবেক সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস, ডেইলি ওয়াদার ম্যানেজিং এডিটর ফয়সাল মাহমুদ, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সারোয়ার তুষার, লেখক ও বিশ্লেষক এবং নাটশেল টুডের নির্বাহী সম্পাদক অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন