মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

ঢাকায় আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার

ঢাকায় আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া এসব মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ঢাকায় ৪০০টি বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪টি জুরাইন কবরস্থানে, ৩২৫টি রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। অপর একটি মরদেহ পোস্তগোলা শ্মশানঘাটে সৎকার করা হয়।

গত বছর ৬৪৩টি এবং ২০২৪ সালে ৫৭০টি বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করেছিল আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম।

ডিএমপি সূত্র জানায়, সড়ক, রেললাইন, পার্ক, ফুটপাত, নদী, খাল ও ঝিলসহ বিভিন্ন স্থান থেকে অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের অনেকেই ভবঘুরে, গৃহহীন, মানসিক ভারসাম্যহীন কিংবা দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। আবার হত্যার শিকার কিছু ব্যক্তির মরদেহ বিকৃত বা খণ্ডবিখণ্ড হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলে পুলিশ ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে চেষ্টা করে। অর্ধগলিত মরদেহের ক্ষেত্রে ডিএনএ সংরক্ষণ করা হয়। মর্গে জায়গার সংকট থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফন করা হয়।

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের দাফনসেবা কর্মকর্তা কামরুল আহমেদ জানান, পুলিশের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয় না। সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের পর পুলিশ মরদেহ হস্তান্তর করলে সংস্থাটি দাফন বা সৎকারের ব্যবস্থা করে।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, অজ্ঞাতনামা মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন