রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বেনজীরকে ফেরাতে দুবাইয়ে আইনজীবী প্রতিষ্ঠান নিয়োগ, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাইয়ে দেশে এলো ২৮৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বেনজীরের মুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি দুদক, গাফিলতির অভিযোগও নাকচ ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজিতে ৭০ টাকা বেশি বাংলাদেশ সফরে আসছেন মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা স্টিফেন কোহলার ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে ড. সাব্বির মোস্তফা খান চাপের মুখে ইনফান্তিনো, ফিফার পরবর্তী সভাপতি হিসেবে আলোচনায় দুই নাম দুবাইয়ের কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত বেনজীর আহমেদ আবারও সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত
  • এআই ব্যবহারে অতিরিক্ত নির্ভরতা স্বাস্থ্যকর নয়, বললেন হ্যাঙ্ক গ্রিন

    এআই ব্যবহারে অতিরিক্ত নির্ভরতা স্বাস্থ্যকর নয়, বললেন হ্যাঙ্ক গ্রিন
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জনপ্রিয় ইউটিউবার, লেখক ও কৌতুকশিল্পী হ্যাঙ্ক গ্রিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ব্যবহারে অতিরিক্ত নির্ভরতার কথা স্বীকার করে দর্শকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। প্রায় ৩২ লাখ সাবস্ক্রাইবারের এই কনটেন্ট নির্মাতা বলেছেন, এআইয়ের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততা তার ব্যক্তিগত জীবন ও সৃষ্টিশীলতার জন্য স্বাস্থ্যকর ছিল না।

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি শিক্ষামূলক ভিডিও প্রকাশের পর। ভিডিওটির একটি বক্তব্য দেখে অনেক দর্শকের সন্দেহ হয়, চিত্রনাট্য তৈরিতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নিয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, ভুলবশত চ্যাটবটের একটি উত্তরও ভিডিওতে রয়ে গেছে।

    পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া (বর্তমানে মুছে ফেলা) এক পোস্টে গ্রিন জানান, সময়ের চাপের কারণে তথ্য ও গবেষণাসংক্রান্ত উপকরণ সংগ্রহে তিনি চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিয়েছিলেন। তবে বিতর্কিত মন্তব্যটি চ্যাটবটের নয়, বরং ভিডিওর অতিথির বক্তব্যের জবাব ছিল।

    পরবর্তীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রেডিটে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। সেখানে তিনি লেখেন, পুরো ঘটনা তাকে বিব্রত করেছে এবং অনেক দর্শকের আস্থা নষ্ট হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাই আপাতত ভিডিও প্রকাশের গতি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    গ্রিন জানান, গবেষণাপত্র খোঁজা ও তথ্যসূত্র সংগ্রহে তিনি এআই ব্যবহার করলেও ভিডিওর ভাষা, বিশ্লেষণ এবং মতামত সম্পূর্ণই তার নিজের। তবু তিনি স্বীকার করেন, এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা তার মৌলিক সৃষ্টিশীলতার স্বাতন্ত্র্যকে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বিরোধী তিনি নন। তবে এর পরিবেশগত প্রভাব, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এবং বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন তাকে উদ্বিগ্ন করে।

    হ্যাঙ্ক গ্রিনের মতে, সবচেয়ে বড় ক্ষতি হতে পারে দর্শকদের আস্থা হারানো। দ্রুত কাজ শেষ করার প্রবণতায় নিজের সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়াও ধীরে ধীরে অস্পষ্ট হয়ে উঠছিল। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে তিনি আরও স্বচ্ছ ও মানবকেন্দ্রিক কনটেন্ট তৈরির পরিকল্পনা করেছেন।

    তিনি জানান, কিছুদিন তার বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও প্রকাশের সংখ্যা কম থাকবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে লিখিত স্ক্রিপ্টের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক চিন্তা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ক্যামেরার সামনে সরাসরি উপস্থাপিত ভিডিওর সংখ্যাও বাড়াবেন।

    গ্রিনের ভাষায়, বড় ভাষা মডেলভিত্তিক এআইয়ের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় কাটানো তাকে একটি অস্বাস্থ্যকর কর্মপ্রক্রিয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি মনে করেন, এটি দায়িত্বশীল আচরণ ছিল না এবং ধীরে ধীরে তাকে মানুষের বাস্তব অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন