বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • শিশু ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

    শিশু ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চাঞ্চল্যকর মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।  

    বুধবার (৬ মে) ভোররাত সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে আটক করে।  

    মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “র‌্যাব ভোর রাত সোয়া ৪টার দিকে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরে তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমরা আদালতে তাকে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।”  

    র‌্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুপুর ১২টায় এই আলোচিত মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।  

    এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা মদন থানায় আমান উল্লাহ সাগরকে একমাত্র অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।  

    মামলার তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর (পিতা: মৃত শামসুদ্দিন মিয়া) উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক।  

    ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসায় তার স্ত্রী প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। ভুক্তভোগী ছাত্রীও একই গ্রামের এবং মাদ্রাসাটির আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল। শিশুটির বাবা পরিবারের দায়ভার ছেড়ে চলে যাওয়ায় তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন, আর মেয়ে থাকত নানির কাছে।  

    অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ঘটনার পর থেকে শিশুটি মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়।  

    পরে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তনে সন্দেহ হলে, এপ্রিল মাসে মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন সত্য ঘটনা। মেয়েটিকে স্থানীয় চিকিৎসক ডা. সায়মা আক্তারের কাছে দেখানো হলে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানান— শিশুটি প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।  

    এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও অনুসন্ধানে নামে এবং অবশেষে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।  

    ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন