বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • ১১ বছরের শিশুর অন্তঃসত্ত্বা ঘটনায় পলাতক মাদ্রাসাশিক্ষক, ফেসবুকে ভিডিওতে নিজেকে নির্দোষ দাবি

    ১১ বছরের শিশুর অন্তঃসত্ত্বা ঘটনায় পলাতক মাদ্রাসাশিক্ষক, ফেসবুকে ভিডিওতে নিজেকে নির্দোষ দাবি
    ছবি: প্রতিকী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষককে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযান চালিয়েও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই শিক্ষকের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার উপপরিদর্শক আখতারুজ্জামান জানান, স্থানীয় একটি ক্লিনিক ও পরবর্তীতে জেলা হাসপাতালে পরীক্ষা–নিরীক্ষার মাধ্যমে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার রাত পর্যন্ত একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হলেও আসামিকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ।

    এদিকে ছড়িয়ে পড়া ৫ মিনিট ৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ উল্লেখ করে বলেন, আইনের প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে এবং প্রকৃত অপরাধীকেই আইনের আওতায় আনা উচিত।

    স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ওই শিক্ষক চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।

    শিশুটির মা অভিযোগ করে বলেন, সন্তানকে শিক্ষার জন্য মাদ্রাসায় পাঠালেও এমন ঘটনায় তিনি ভেঙে পড়েছেন এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

    এ ঘটনায় চিকিৎসক সাইমা আক্তারকেও বিভিন্নভাবে হুমকি ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাঁর স্বামী জানান, পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকে তারা সাইবার বুলিং ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন।

    অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী শিশুটির বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য, নগদ অর্থ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন। তিনি জানান, শিশুটিকে চিকিৎসা ও মানসিক কাউন্সেলিংসহ সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং তিনি পরিবারসহ পলাতক রয়েছেন। দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন