শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট মতভেদ যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়, জাতীয় ঐক্যে জোর প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা পুরস্কার দিতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন তারেক রহমান জিরো এমিশন ইস্যুতে বক্তব্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী লো-ফিডে উৎপাদন অব্যাহত ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের নিয়ন্ত্রণে কড়া সমালোচনা উইজডেনের অনলাইন ক্লাস না চাইলেও বাস্তবতায় বাধ্য: শিক্ষামন্ত্রী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত গিরিশ চন্দ্রের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর হাসনাতের সঙ্গে কী হয়েছিল বিস্তারিত জানালেন মনজুর আলম
  • ফোড়া অপারেশনের সময় রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল ভাঙচুর

    ফোড়া অপারেশনের সময় রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল ভাঙচুর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাদারীপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত চিকিৎসক হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে পানিছত্র এলাকায় অবস্থিত ‘কে. আই হাসপাতাল’-এ এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর মাদারীপুর–শরীয়তপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা, তারা দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান।

    এর আগে বুধবার বিলকিস বেগম (৪৫) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর ইউনিয়নের রঘুমরামপুর গ্রামের সিরাজ আকনের স্ত্রী।

    স্বজনদের অভিযোগ, পিঠে ফোঁড়া নিয়ে বিলকিস বেগমকে কে. আই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আহসান হাবিবের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করা হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় চিকিৎসক অপারেশন থিয়েটার ছেড়ে চলে যান। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে ভাঙচুর চালান এবং সড়ক অবরোধ করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    পরে হাসপাতালটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    নিহতের স্বজনরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের বৈধতা ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কার্যক্রম তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন