মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • সাভার-আশুলিয়ায় তেলের তীব্র সংকট, লম্বা লাইনে চালকরা

    সাভার-আশুলিয়ায় তেলের তীব্র সংকট, লম্বা লাইনে চালকরা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে সরকার জ্বালানি তেলের বিক্রয়সীমা নির্ধারণ করে দিলেও সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের চিত্র ভিন্ন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তেল বিক্রির কথা থাকলেও এই অঞ্চলের প্রায় ডজনখানেক ফিলিং স্টেশনে কোনো জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। গত দু-তিন দিন ধরেই অধিকাংশ পাম্পে 'তেল নেই' সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে।

    রবিবার (৮ মার্চ) সকাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুর, নবীনগর এবং আশুলিয়ার বাইপাইল ও নয়ারহাট এলাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, তেলের জন্য শত শত মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ লাইন। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ক্ষোভ নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা।

    জ্বালানি সংকটের কারণ হিসেবে পাম্প কর্তৃপক্ষ সরবরাহ ব্যবস্থার ঘাটতিকে দায়ী করছে। আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী জানান, "আমাদের স্টেশনে প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ গাড়ি তেলের চাহিদা থাকে। অথচ গত বুধবার আমাদের চাহিদার বিপরীতে মাত্র আধা গাড়ি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। সেই তেলও দুদিন আগে শেষ হয়ে গেছে। আজ রবিবার পর্যন্ত নতুন কোনো চালান না আসায় আমরা গ্রাহকদের ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছি।"

    পাম্প মালিকদের দাবি, গত শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় ডিপো থেকে তেল আসেনি। ফলে বুধবারের পর থেকে নতুন কোনো সরবরাহ না পৌঁছানোয় সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের অধিকাংশ পাম্প এখন জ্বালানি শূন্য হয়ে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

    সরজমিনে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। বাইপাইল এলাকায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক চালক বলেন, "সরকার ২ লিটার করে তেল দেওয়ার নিয়ম করেছে, কিন্তু পাম্পে এসে শুনি তেলই নেই। ৪-৫টা পাম্প ঘুরে কোথাও তেল পাচ্ছি না।" দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকেও তেলের জন্য এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ঘুরতে দেখা গেছে।

    বিপিসি (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস দিলেও মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগে কোথাও কোথাও তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে তেল বিক্রি রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন সাধারণ মানুষ।

    উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিপিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশে জ্বালানি তেলের বিক্রয়সীমা নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু সাভার-আশুলিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চলে তেলের এই তীব্র সংকট জনজীবনে স্থবিরতা নামিয়ে আনার আশঙ্কা তৈরি করছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন