মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • বনানীতে আজাদের পরোক্ষ মদদে বেপরোয়া চাঁদাবাজি

    বনানীতে আজাদের পরোক্ষ মদদে বেপরোয়া চাঁদাবাজি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য ও ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজদের শেল্টার, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পরোক্ষভাবে মদদ ও আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের পূণর্বাসনের বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও ৫ই আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মহাখালী বাস টার্মিনাল বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। এর পর থেকে তাঁর বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে অসন্তোষ মালিক-শ্রমিক উভয়পক্ষ। 

    অভিযোগ আছে, শুধুমাত্র আবুল কালাম আজাদের প্রতি ভোটারদের অনাস্থার কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর দায়িত্বধীন ঢাকা-১৭ আসনের টিএন্ডটি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৮নং কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীক পরাজিত হয়েছে। চাঁদাবাজদের মদদ দেওয়ার জন্য আজাদের প্রতি এলাকাবাসী চরম না খোশ!

    এ বিষয়ে খোদ বনানী থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোহাম্মদ আল মামুন খাঁন অভিযোগ করেন, "আবুল কালাম আজাদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের পক্ষে প্রচারণা না করে সামনে তিনি আবার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিবেন সেই প্রচারণা করেছেন। এবং প্রচারণা করতে তিনি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বস্তির চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে। যে কারণে ৭৮ নাম্বার কেন্দ্রে ধানের শীষ পরাজিত হয়েছে। আজাদের প্রতি এলাকাবাসী নারাজ এটা এখন ওপেন সিক্রেট!"

    একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আবুল কালাম আজাদের ঘনিষ্ঠ কর্মী খুররম আলী আগে আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বেলতলা বস্তির বাজার ও ময়লা টেন্ডার দখল করেছেন। পাশাপাশি বিএনপির দুঃসময়ে ত্যাগী নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। ৫ আগস্টের পর বিএনপির নাম ব্যবহার করে খুররম আলী বেলতলা বস্তির প্রায় শতাধিক ঘর দখল করেছেন এবং অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সূত্রমতে, স্বৈরাচার পতনের পর বিদ্যুৎ খাতে যেখানে বকেয়া ছিল প্রায় ৬০ লাখ টাকা, তা এখন বেড়ে দেড় কোটির বেশি হয়েছে।

    এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মহাখালী সাততলা এলাকায় ফজলু মিয়া আজাদের শেল্টারে মাদক স্পট নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া বস্তির একাংশের চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ এর ব্যবসা ফজলু মিয়ার কব্জায়। 

    অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বনানী থানা বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, একসময়ে বনানী থানা শ্রমিকলীগের পদধারী নেতা চিহ্নিত চাঁদাবাজ ভাঙারি সানোয়ার, শ্রমিকলীগ নেতা মজিবর, বেলতলা বস্তির যুবলীগ নেতা সবুজ খাঁন ও গোডাউন বস্তির যুবলীগ নেতা শহীদ এখন আবুল কালাম আজাদের মদদে চাঁদাবাজিতে বহাল। এরিয়া ভেদে তাদের চাঁদাবাজির ভাগ চলে যায় আজাদের পকেটে। এসব আওয়ামীলীগের চাঁদাবাজরা এখন বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

    অবশ্য আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ জানান, "এনায়েতুল্লার ১০/১৩ জন খুনি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজরা আমার নামে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। এনায়েতুল্লাহের পালিত শ্রমিকলীগের নেতা - তাদের গডফাদারের তথ‍্য সব ফাঁস হয়ে গেছে বলে মিথ‍্যা, বানোয়াট গুজব ছড়ানোতে তারা লেগে পড়েছে।"


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন