জিয়াউর রহমানের মাজারে ব্রুনাই বিএনপি’র পুষ্পস্তবক অর্পণ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ব্রুনাই বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো:আরজু হোসেন ও যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিকুর রহমান সোহান।বুধবার(২১জানুয়ারি)সকাল ৯টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ব্রুনাই বিএনপি'র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আরজু হোসেন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমরা আজ তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসেছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের মানচিত্রে একটি নতুন ও গৌরবময় অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি সেই ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রকৃত স্থপতি। বাংলাদেশের যত সফলতা, তার সবকিছুই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এসেছে। তিনি যতদিন দেশের দায়িত্ব পালন করেছেন, ততদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে গেছে। তিনি ছিলেন একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। তার মতো রাষ্ট্রনায়ক বাংলাদেশে শুধু নয়, বিশ্বেই অত্যন্ত বিরল। একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়কের অভাব আমরা বাংলাদেশে গভীরভাবে অনুভব করছি।
যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিকুর রহমান সোহান বলেন,আজ আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছি। তিনি বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অত্যন্ত স্বল্প সময়ে তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আইন সবার জন্য—এই নীতিকে সামনে রেখে তিনি দেশ পরিচালনা করেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম শ্রম রপ্তানি শুরু হয়, গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা হয়। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে এত অল্প সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি অবদান রাখেননি।
তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি জন্মগ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ বাংলাদেশের জন্ম এত সহজে হতো না। সশস্ত্র যুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তার শাসনামলেই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। এরপর আর কোনো সময় আমরা সেইভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি,তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। কোনো দেশের কাছে মাথা নত করেননি। তার সেই ব্যক্তিত্ব ও দেশপ্রেম তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন—সবার আগে দেশ।আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন—এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ দোয়া এবং তার বিদ্রোহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।