মালিকানা ঝামেলার মধ্যেও চট্টগ্রাম রয়্যালসের জয়ের উত্থান

বিপিএলের আগেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে উঠেছিল। ট্রায়াঙ্গুল সার্ভিসেস তাদের মালিকানা ছাড়ার ঘোষণা দিলে দলটির ভবিষ্যৎ বিপিএলে প্রশ্নচিহ্নে পড়ে। তবে বিসিবি দায়িত্ব গ্রহণ করে পরিস্থিতি সামলান। এই উত্থান-পতন নিয়েও চট্টগ্রাম রয়্যালস মাঠে নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে প্রমাণ করেছে যে তারা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল দল।
বিপিএল শুরুতে চট্টগ্রাম রয়্যালস জয় দিয়ে টুর্নামেন্টে প্রবেশ করে। প্রথম ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে হারিয়ে সিরিজের সূচনা তাদের জন্য সুখদায়ী হয়। দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুরের কাছে হেরেও দল পরবর্তী ম্যাচে ফিরে আসে। সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে একটি ম্যাচ স্থগিত হওয়ায় খেলা থেমে যায়। তবে আজ সেই সিলেটের বিপক্ষে চট্টগ্রাম তাদের তৃতীয় জয় তুলে নেয়। চার ম্যাচে তিন জয়ের সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে তারা, যেখানে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স সমান পয়েন্ট থাকলেও নেট রানরেটে পিছিয়ে।
ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ১০ উইকেটে দাপুটে জয় পাওয়ার ধারাবাহিকতাই আজও ধরে রাখে চট্টগ্রাম। ১২৭ রানের লক্ষ্য পেতে না পারলেও নাইম শেখ দলকে ১২ রান দূরে রেখে আউট হন। ৩৩ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ওপেনিং সঙ্গী অ্যাডাম রসিংটনও হাফসেঞ্চুরি করেন; আগের ম্যাচের ধারাবাহিকতায় ৫৩ বলে অপরাজিত ৭৩ রান করে, ৮টি চার ও ২টি ছয় মেরে ইনিংস সাজান।
সিলেটকে ১২৬ রানে বেধে রাখতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মেহেদী হাসান, ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচায় ২ উইকেট নেন। মির্জা বেগও দুই উইকেট শিকার করেন। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাট থেকে, ৪৪ রান। অন্যরা হলেন পারভেজ হোসেন ইমন (১৭) ও জাকির হাসান (১৫)।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যাচ-পারফরম্যান্স এবং ধারাবাহিক জয় নিশ্চিত করেছে, তারা এবারের বিপিএলে শীর্ষ ধাক্কায় থাকা দলের এক নম্বর দাবিদার।