শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj

রাজশাহীকে টপকে বিপিএলের মঞ্চে ঢাকার জয়ের গান

রাজশাহীকে টপকে বিপিএলের মঞ্চে ঢাকার জয়ের গান
ছবি- সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ী সংগ্রহের উচ্ছ্বাসে রাজশাহী ওয়্যারিয়র্সকে এই লড়াইয়ে প্রথম হারের স্বাদ করিয়ে দিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫-এর দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুভ সূচনা করেছে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

ঢাকা ক্যাপিটালস নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে কার্যকর ব্যাটিং করে ম্যাচে দাপট দেখায়। তাদের ধারাবাহিক খেলায় শুরুর ম্যাচে বড় জয় তুলে নেয়া স্বাগতযোগ্য প্রমাণিত হয়েছে। বিপিএলের এই খেলা দর্শকদের জন্য এক উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে মাত্র ১৩২ রান করে রাজশাহী। জবাবে ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় ঢাকার।

সহজ টার্গেটে ব্যাট করতে নেমেও শুরুটা ভালো হয়নি ঢাকার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন সাইফ হাসান। ৪ বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি। আরেক ওপেনার উসমান খান আউট হওয়ার আগে করেন ১৫ বলে ১৪ রান। আর মাত্র ১২ রান আসে দলনেতা মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাট থেকে।

টপঅর্ডার ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ইনিংসটি খেলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। মূলত দলের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিই খেলেন তিনি। আউট হওয়ার আগে করেন ৩৮ বলে ৪৫ রান। আর নাসির হোসেন করেন ১৯ রান।

মাত্র ১৬ রানের খরচায় তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ইমাদ ওয়াসিম।

শেষদিকে নেমেই ঝোড়ো ব্যাটিং উপহার দেন সাব্বির রহমান রুম্মন। শামিম হোসেন পাটোয়ারিকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন তিনি। ১৩ বলে ১৭ রানে শামীম ও ১০ বলে ২১ রানে সাব্বির অপরাজিত থাকেন। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন মোহম্মদ নেওয়াজ। একটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব ও সন্দীপ লামিচানে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এর আগে শুরুতে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের। ইনিংসের প্রথম বলেই গোল্ডেন ডাক খেয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান।

পরের উইকেটে নামা দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে শুরুর চাপ সামলেই নিয়েছিলেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। কিন্তু জুটিটা বড় করা হয়নি। ২০ রান করে থামেন তানজিদ। আর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শান্তর ব্যাট থেকে এসেছে ৩৭ রান। এছাড়া মোহাম্মদ নেওয়াজ ২৬ ও মুশফিকুর রহিম ২৪ রান করেন।

বাকি ব্যাটারদের কেউই বিশের কোটা পূরণ করতে পারেননি। লো-অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় শেষ পাঁচ ওভারে এসেছে মাত্র ২৬ রান। তাতেই অল্প রানেই থেমে যায় রাজশাহীর ইনিংস। ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন ইমাদ ওয়াসিম। ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৬ রান দেন তিনি। এ ছাড়া দুটি উইকেট নেন নাসির হোসেন। আর একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনজন বোলার।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন