দারিদ্র্য, পরিশ্রম ও পরিবারের আস্থা — কার্তিকের কোটিপতি হওয়ার গল্প

আইপিএলের সদ্য শেষ হওয়া মিনি নিলামে ১৪ কোটি ২০ লাখ রুপিতে চেন্নাইয়ের দলে জায়গা করে নিয়েছেন কার্তিক শর্মা। অনভিজ্ঞ এক ক্রিকেটারের পেছনে এত বড় অঙ্ক কেন ব্যয় করা হলো—এ প্রশ্ন অনেকের মনেই উঠেছে। এরই মধ্যে সামনে এসেছে কার্তিক শর্মার জীবনসংগ্রাম ও লড়াইয়ের গল্প।
আইপিএলে দল পাওয়ার পর বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে নিজ শহর ভরতপুরে ফেরেন কার্তিক। খিরনি ঘাটের আগরওয়াল ধর্মশালায় তাকে সংবর্ধনা দেয় ভরতপুর জেলা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনসহ শহরের বিশিষ্টজনরা।
কার্তিকের বাবা মনোজ শর্মা জানান, ছেলের ক্রিকেট স্বপ্ন পূরণে পরিবারকে চরম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও টুর্নামেন্টের খরচ জোগাতে তারা জমি বিক্রি করেছেন, মা বিক্রি করেছেন নিজের গয়না। গোয়ালিয়রের এক টুর্নামেন্টে টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় বাবা-ছেলেকে না খেয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাতেও হয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ের পর টানা চার বছর নির্বাচনের বাইরে থাকলেও হাল ছাড়েননি কার্তিক। নিয়মিত পরিশ্রমের ফল হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ ও রঞ্জি দলে সুযোগ পান, সেখান থেকেই খুলে যায় আইপিএলের দরজা।
এ বছর দ্বাদশ শ্রেণি পাস করা কার্তিক ক্রিকেটের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। ছোট শহর থেকে উঠে আসা এই ক্রিকেটারের সাফল্য আজ অসংখ্য তরুণের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প।
দৈএনকে/ জে,আ