বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

নির্বাচন দেওয়ার শর্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ছিল না, জানালেন ড. এম সাখাওয়াত

নির্বাচন দেওয়ার শর্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ছিল না, জানালেন ড. এম সাখাওয়াত
ছবি- সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন দায়িত্ব নেয়, তখন একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার কোনো পূর্বশর্ত বা ম্যান্ডেট ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণের জন্য এবং একটি স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখতেই এই সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। তখন নির্বাচন দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো শর্ত বা বাধ্যবাধকতা ছিল না।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা। তবে নির্বাচন কমিশন এখন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখেমুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদেরকে কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এ রকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময় মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদেরকে কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক।

উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭/১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন