‘অনেক দিনের অপেক্ষা শেষ’—এমএলএস ট্রফি হাতে মেসির আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

লিওনেল মেসি তার ক্যারিয়ারের ৪৭তম শিরোপা জিতে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতে ইন্টার মায়ামি ক্লাব ফুটবলে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল, আর এই অর্জনে মুখ্য ভূমিকা পালন করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
গত শনিবার (৬ ডিসেম্বর, ২০২৫) ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেয় ডেভিড বেকহ্যামের মালিকানাধীন ক্লাবটি।
ম্যাচে মেসি নিজে কোনো গোল করেননি, তবে সতীর্থদের দিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে প্রধান ভূমিকা রাখেন। এই জয়ে ইন্টার মায়ামির ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
মাঠে দারুণ প্রভাব বিস্তার করে হয়েছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কার। প্রথম গোলটি আত্মঘাতী। তবে সেটিতে শট নেন তাদেও আলেন্দে। তার কাছে শট নেওয়ার জন্য বল পাঠান মেসি।
দ্বিতীয় গোলটি ৭১ মিনিটে রদ্রিগো ডি পল করেন মেসির দারুণ পাসে। অতিরিক্ত সময়ে আলেন্দে গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় শিরোপা। এই গোলের অ্যাসিস্টও করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তী।
ম্যাচশেষে মেসি বলেন, ‘তিন বছর আগে এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ আমরা এমএলএস চ্যাম্পিয়ন। দল পুরো মৌসুমে অসাধারণ পরিশ্রম করেছে। এটি সেই মুহূর্ত, যার জন্য আমরা সবাই অপেক্ষা করছিলাম। খুবই ভালো লাগছে।’
২০২৩ সালে মিয়ামিতে যোগ দিয়ে মেসি কাটিয়েছেন প্রায় আড়াই বছর। লিগস কাপ জিতলেও পৌঁছাতে পারেনি প্রথম মৌসুমে প্লে-অফে। পরের বছর ২০২৪ সালে রেকর্ড ৭৪ পয়েন্টে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতলেও অপূর্ণ ছিল এমএলএস কাপের শিরোপা।
অবশেষে স্বপ্নপূরণ হয়েছে মিয়ামির। কোচ হাভিয়ের মাশেরানো বলেন, ‘মৌসুমজুড়ে মেসি শুধু গোল-অ্যাসিস্টে নয়, ডিফেন্সেও দারুণ ছিল। শেষ কয়েক ম্যাচে তার অতিরিক্ত প্রেসিংই বলে দেয়, এই শিরোপা তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’