বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • গাজীপুরে অভিযান, ৩৭টি রোগাক্রান্ত ঘোড়া জব্দ

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হত ঘোড়ার মাংস

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হত ঘোড়ার মাংস
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গাজীপুরের হায়দারাবাদ (রথখোলা) এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ঘোড়ার মাংস এবং জবাইয়ের জন্য প্রস্তুত রাখা ৩৭টি রোগাক্রান্ত ঘোড়া জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় কসাইখানায় গাজীপুর জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, র‌্যাব-১ ও পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। অভিযানের সময় কারখানার মালিক শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শফিকুল এবং তার বাবা জয়নাল আবেদিন এক বছর ধরে নিয়মিতভাবে ঘোড়া কিনে জবাই করতেন। প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০টি ঘোড়া জবাই করা হতো, যা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হতো। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গন্ধ, শব্দ ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় কার্যক্রম। এর আগে শফিকুলকে কয়েকবার জরিমানা করা হলেও সে থামেনি। এবার বড় আকারে অভিযান চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও অভিযান চলবে।

    অভিযানের সময় উদ্ধার করা ৩৭টি জীবিত রোগাক্রান্ত ঘোড়া এবং ৮টি জবাই করা ঘোড়ার ৫ মণ মাংস স্থানীয় একজনের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) সেগুলো গাজীপুর প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে হস্তান্তর করা হবে। অধিকাংশ ঘোড়া রোগাক্রান্ত এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

    র‌্যাব-১-এর পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ঘোড়া জবাই চলছিল। বিপুলসংখ্যক জীবিত ঘোড়া, জবাই সরঞ্জাম ও মাংস সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে হায়দারাবাদ এলাকায় ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু হয়। পরে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত এটি নিষিদ্ধ করার পরও কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর গোপনে পুনরায় শুরু হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন