গোল করেও দলকে জেতাতে পারলেন না মেসি

প্লে-অফ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ন্যাশভিল এসসিকে ৩–১ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেছিল ইন্টার মিয়ামি। দ্বিতীয় ম্যাচে জিতলেই সিরিজটা নিজের করে নিতে পারত মেসির দল। কিন্তু প্রত্যাশার উল্টো ফল হলো—স্বাগতিক ন্যাশভিলের মাঠে হোঁচট খেল ডেভিড বেকহ্যামের ক্লাবটি।
জিওডিস পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল ন্যাশভিল। প্রথমার্ধে গোল করে এগিয়ে যায় স্বাগতিক দল। দ্বিতীয়ার্ধে লিওনেল মেসি সমতাসূচক গোল করলেও ম্যাচের শেষভাগে ন্যাশভিলের আরেকটি গোলে হেরে বসে ইন্টার মিয়ামি। ফলে তিন ম্যাচের এই সিরিজ এখন ১–১ সমতায় গড়ালো।
এবার সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে, যা অনুষ্ঠিত হবে মিয়ামির মাঠে। ম্যাচটি জিতলেই কনফারেন্স সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে বিজয়ী দলটি।
মেসির গোল সত্ত্বেও দলের পরাজয়ে হতাশ ভক্তরা। তবে তারা আশা করছেন, পরবর্তী ম্যাচে জয়ের মাধ্যমে দলটি ফিরে আসবে ছন্দে।
মেজর লিগ সকার (এমএলএস) প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে দ্বিতীয় লেগ শেষে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী সপ্তাহে ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলে।
প্রথম লেগে মেসির জোড়া গোলে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছিল মিয়ামি। তবে শনিবার ন্যাশভিলের মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধেই গোল খেয়ে চাপে পড়ে দলটি। স্যাম সারিজ এবং জশ বাওয়ারের গোলে প্রথম ৪৫ মিনিটে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ন্যাশভিলে।
মিয়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভোর ভুলে পেনাল্টি পায় ন্যাশভিলে, যা থেকে প্রথম গোলটি করেন সারিজ। এরপর কয়েকটি দারুণ সুযোগ পেলেও মিয়ামি গোলের দেখা পায়নি- মেসি পোস্টের বাইরে মেরে দেন, সুয়ারেজের শট লাগে পোস্টে।
প্রথমার্ধের শেষদিকে হ্যানি মুখতারের কর্নার থেকে বাওয়ারের শট জালে জড়ালে ২–০ ব্যবধান তৈরি হয়। দ্বিতীয়ার্ধে মিয়ামি বলের দখল রাখলেও কার্যকর কিছু করতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত মেসিই দলকে আশা জাগান। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বক্সের বাইরে থেকে নেটের ছাদে বাঁ পায়ের জোরালো এক শটে গোল করেন তিনি— যা ছিল তার টানা চতুর্থ ম্যাচে গোল। তবে তাতে লাভ হয়নি, কারণ ন্যাশভিল বাকি সময় ডিফেন্স করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।