শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আলোচনায় বাংলাদেশ জ্বালানি পাম্পে পুলিশ সদস্যদের জন্য অগ্রাধিকার লাইন চায় পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন দেশজুড়ে হামের প্রকোপ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু সাইফ-লিটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, লড়াইয়ের পুঁজি ২৪৮ রানের লক্ষ্য ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান দ্বিতীয় দফা আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান ক্ষমতা হস্তান্তরে স্বচ্ছতা ছিল না, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিরোধীদলীয় নেতা এপ্রিল-মে মাসে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা নেই, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি প্রতিমন্ত্রীর জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে জাতীয় কমিটির বৈঠক শনিবার সন্ধ্যায় শরিফুলের আঘাতে শুরুতেই ধাক্কা, নিউজিল্যান্ডের ওপেনিং জুটি ভাঙল রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট
  • শ্যামনগরে উপকূলীয় আজাবা শাকের মেলা ও রান্না প্রতিযোগিতা

    শ্যামনগরে উপকূলীয় আজাবা শাকের মেলা ও রান্না প্রতিযোগিতা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    উপকূলীয় এলাকার হারিয়ে যাওয়া সবুজ ঐতিহ্য ও স্থানীয় খাদ্যভান্ডার সংরক্ষণের আহ্বানে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে “উপকূলীয় আজাবা শাকের মেলা ও রান্না প্রতিযোগিতা”।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপকূলের বিভিন্ন গ্রামের কৃষক-কৃষানি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

    আয়োজনটি যৌথভাবে করে সবুজ সংহতি ও স্থানীয় জনসংগঠনগুলো, আর সহযোগিতায় ছিল বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক।

    ‘সিক্সটিন ডেজ অব গ্লোবাল অ্যাকশন অন এগ্রোইকোলজি ২০২৫’ ও ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা উপকূলীয় অঞ্চলে জন্মানো নানা রকমের আজাবা (অচাষকৃত) শাক, ফল, লতা ও কন্দজাত উদ্ভিদ প্রদর্শন করেন।

    রান্না প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নারীরা স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত আজাবা শাক দিয়ে পুষ্টিকর ও ঐতিহ্যবাহী নানা পদ রান্না করেন। এতে স্থানীয় খাবারের পুষ্টিগুণ, টেকসই কৃষি এবং জৈববৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

    আয়োজকরা বলেন, “আজাবা শাক শুধু খাদ্য নয়—এটি আমাদের সংস্কৃতি, চিকিৎসা ও টেকসই জীবনের অংশ। উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এসব উদ্ভিদ সংরক্ষণ আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার সঙ্গেও জড়িত।”

    মেলার পুরো পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয় জ্ঞান ও প্রাকৃতিক খাদ্যভান্ডার সংরক্ষণে অনুপ্রেরণা জোগাবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন