বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর এডিবির বাংলাদেশ কার্যালয়ের দায়িত্বে চিংফেং ঝাং তিন দিনের সফরে ঢাকায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর দ্বিতীয় প্রান্তিকে চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বেড়েছে জলবায়ু সংকটে কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি হুমকিতে, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যামের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না: জামায়াত আমির আরও বড় পরিসরে কনসার্টের প্রতিশ্রুতি দিলেন রুনা লায়লা রাষ্ট্রপতি পদে কে আসছেন? শনিবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিএনপি মিয়ামিতে ফিরেই প্রস্তুতি শুরু মেসির, কবে মাঠে নামবেন?
  • ‘মোকলানি’ প্রামাণ্যচিত্রের জয়ে গর্বিত পাকিস্তান

    ‘মোকলানি’ প্রামাণ্যচিত্রের জয়ে গর্বিত পাকিস্তান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পাকিস্তান বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে একটি ঐতিহাসিক গৌরবময় অধ্যায় সংযোজন করেছে। প্রকৃতি বিষয়ক ডকুমেন্টারির ক্ষেত্রে ‘অস্কার’ হিসেবে খ্যাত জ্যাকসন ওয়াইল্ড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস জিতেছে প্রামাণ্যচিত্র ‘মোকলানি – দ্য লাস্ট মোহানাস’। পাঁচ শতাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই সম্মান অর্জন করেছে ছবিটি।

    এই জয় পাকিস্তানের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বিরাট মাইলফলক। এর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো পাকিস্তানি চলচ্চিত্র এই বিশেষ সম্মান অর্জন করলো।

    পরিচালক ও প্রযোজক জাওয়াদ শরিফ নির্মিত এই ছবিটি আলো ফেলেছে মনোহর হ্রদের আদিবাসী মোহানা সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার ওপর। পরিবেশগত চাপ এবং আধুনিকতার আগ্রাসনে তাদের শত শত বছরের পুরোনো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির পথে। এই প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে তাদের সংগ্রাম এবার বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পেল।

    মনোহর হ্রদের আদিবাসী মোহানা সম্প্রদায়

    চলচ্চিত্রের নির্মাতারা তাদের এই অর্জন উৎসর্গ করেছেন মোহানা মৎস্যজীবী সম্প্রদায়, সমগ্র পাকিস্তান ও বিশ্বের সব আদিবাসী গোষ্ঠীকে। তারা জানান, ছবিটি শুধু একটি প্রামাণ্যচিত্র নয়, বরং এটি তাদের সহনশীলতা, সংস্কৃতি এবং প্রজ্ঞার প্রতি এক বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি যা কোনোভাবেই ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

    ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং ক্লাইমেট কাহানির সহায়তায় নির্মিত 'মোকলানি – দ্য লাস্ট মোহানাস' শ্বাসরুদ্ধকর ভিজ্যুয়াল আর শক্তিশালী গল্প বলার ভঙ্গিতে মুগ্ধ করেছে বিচারকদের। এটি মানুষের টিকে থাকা আর পরিবেশগত পরিবর্তনের মধ্যে এক নাজুক ভারসাম্যকে ফুটিয়ে তুলেছে। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের এই কঠিন সংগ্রামই যে আসলে বৈশ্বিক জলবায়ু সংকটের প্রতিচ্ছবি, সেটাই তুলে ধরা হয়েছে।

    মনোহর হ্রদ
    এই সাফল্য আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে জোরালো গল্প বলার ক্ষেত্রে পাকিস্তানি সিনেমার ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকেই তুলে ধরে। সাংস্কৃতিক বিলুপ্তি ও জলবায়ু হুমকিকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি এখন ঐতিহ্য ও স্থিতিশীলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে পাকিস্তানকে প্রতিষ্ঠা করেছে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ