বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • কৌতুকের রাজা এটিএম শামসুজ্জামান আজও অমর

    কৌতুকের রাজা এটিএম শামসুজ্জামান আজও অমর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সেরা অভিনয় শিল্পী হিসেবে তিনি আজও অমলিন। নানা ধরনের চরিত্রে নিজেকে রূপান্তরিত করেছেন বারংবার। অভিনয়ের জগতের বটবৃক্ষ হিসেবেও খ্যাত ছিলেন তিনি। তিনি আর কেউ নন; কিংবদন্তি প্রয়াত এটিএম শামসুজ্জামান। আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাঁর জন্মবার্ষিকী, যদিও ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি ওপারে পাড়ি জমান।

    এটিএম শামসুজ্জামানের জন্ম নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে। গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুর জেলায়। তার বাবা ছিলেন বিশিষ্ট উকিল; শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতিও করতেন।

    তিনি ঢাকায় পড়াশোনা করেছেন। স্কুলে তার প্রিয় বন্ধু ছিলেন অভিনেতা প্রবীর মিত্র। তিনি উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন জগন্নাথ কলেজ থেকে।

    এটিএম শামসুজ্জামান চলচ্চিত্রে আসেন ১৯৬৫ সালে। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র নয়া জিন্দগানি। চলচ্চিত্রটি অবশ্য মুক্তি পায়নি। ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার এতটুকু আশা চলচ্চিত্রে তাকে দেখা যায়।
     
    এরপর তিনি সুয়োরাণী দুয়োরাণী, মলুয়া, বড় বউ চলচ্চিত্রে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি মলুয়া চলচ্চিত্রের সংলাপও রচনা করেন। তিনি প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন জলছবি চলচ্চিত্রের জন্য।
     
    শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয় কৌতুক অভিনেতা হিসেবে। জলছবি, যাদুর বাঁশি, রামের সুমতি, ম্যাডাম ফুলি, চুড়িওয়ালা, মন বসে না পড়ার টেবিলে চলচ্চিত্রে তাকে কৌতুক চরিত্রে দেখা যায়। তার অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আমজাদ হোসেনের নয়নমণি চলচ্চিত্রটি। এ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন।
     
    এর আগে নারায়ণ ঘোষ মিতার লাঠিয়াল চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়াও খল চরিত্রে তার কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল-অশিক্ষিত, গোলাপী এখন ট্রেনে, পদ্মা মেঘনা যমুনা, স্বপ্নের নায়ক। এছাড়াও বেশ কিছু চলচ্চিত্রে তিনি পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-অনন্ত প্রেম, দোলনা, অচেনা, মোল্লা বাড়ির বউ, হাজার বছর ধরে, চোরাবালি।

    ২০১৫ সালে একুশে পদক পান তিনি। তাছাড়া ৬ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। অভিনয়ের জন্য আজীবন সম্মাননাও পেয়েছেন এই কিংবদন্তি। 


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন