বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • পারিবারিক দ্বন্দ্বে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

    পারিবারিক দ্বন্দ্বে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে সংঘটিত আলোচিত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম রাফি (২৬) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার আপন ছোট ভাই ও মাদ্রাসা ছাত্র রানাকে (ছদ্মনাম, বয়স ১৬)।

    সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

    পুলিশ জানায়, হত্যার পরপরই মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা, শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এবং কমলগঞ্জ থানার ওসি আবু আফর মো. মাহফুজুল কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তি, গোপন সূত্র এবং এলাকাবাসীর বক্তব্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের ছোট ভাই রানাকে ঘটনার দিনই হেফাজতে নেওয়া হয়।

    পরে নিহতের স্ত্রী ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদে রানা রবিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বীকার করে যে, ৯ আগস্ট সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

    রানা পুলিশকে জানায়, ঘটনার আগের দিন (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সে বড় ভাই রাফির কাছে ৫০০ টাকা চায়। রাফি টাকা না দিয়ে গালাগাল ও দুর্ব্যবহার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রানা পরদিন সকাল ৭টার দিকে মাকে বাড়িতে না পেয়ে এবং ভাইয়ের ঘরের দরজা খোলা দেখে খাটের নিচে রাখা ধারালো দা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর দা ও রক্তমাখা লুঙ্গি ধুয়ে খাটের নিচে রেখে স্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে।

    তবে পুলিশ জানায়, কেবল ৫০০ টাকা না দেওয়াই হত্যার একমাত্র কারণ নয়। চার বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর রাফি ছোট ভাইয়ের অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছিল এবং মাদ্রাসায় থাকার জন্য তাকে চাপ দিতেন। পড়াশোনায় অনাগ্রহী রানা এ শাসন মানতে পারত না। এছাড়া রাফি পরিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করায় ভাবী-শাশুড়ি ও দেবরের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। এসব কারণে বড় ভাইয়ের প্রতি ক্ষোভ জমে ওঠে রানার।

    গ্রেপ্তারের পর রানার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত দা এবং রক্তমাখা লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১০ আগস্ট কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন