বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারার সঙ্গে দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারার সঙ্গে দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশন-এর নেতৃবৃন্দ। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে ঢাকার রামপুরায় তাঁর নিজ বাসভবনে গিয়ে সংগঠনের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান অপূর্ব ও অন্যান্য সদস্যরা এই সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাৎকালে তাঁরা এই বরেণ্য শিল্পীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর দীর্ঘ সাংস্কৃতিক অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে আসন্ন একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়ে পরামর্শ নেওয়া হয়।

    উত্তরে আনোয়ারা বলেন, “তোমাদের পরিকল্পনা ভালো, এগিয়ে যাও। আমি পাশে আছি।”
    তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, “আগের মতো এখন আর যেতে পারি না। বয়স হয়েছে, শরীর ঠিক নেই। তবে আমার মেয়ে রুমানা ইসলাম (মুক্তি) সবসময় তোমাদের পাশে থাকবে।”

    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই সৌজন্য সাক্ষাৎ কেবল সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়, বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে শিল্প ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

    কিংবদন্তি আনোয়ারা বেগম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
    ১৯৪৮ সালের ১ জুন কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন আনোয়ারা জামাল। নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও মাত্র ১৪-১৫ বছর বয়সে ১৯৬১ সালে 'আজান' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রূপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর ‘উত্তরণ’ ও ‘নাচঘর’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।

    ১৯৬৭ সালে ‘বালা’ ছবিতে প্রথমবারের মতো নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন। তবে তাঁর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় মোড় আসে ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ চলচ্চিত্রে ‘আলেয়া’ চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের মাধ্যমে।

    তিনি ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘শুভদা’ (১৯৮৬) এবং আজীবন সম্মাননা (২০২০)।

    ২০২২ সালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর স্মৃতি ও দৃষ্টিশক্তিতে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। তবে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

    তাঁর একমাত্র মেয়ে রুমানা ইসলাম মুক্তি, যিনি নিজেও একজন সফল অভিনেত্রী, বর্তমানে মায়ের চিকিৎসা ও দেখাশোনা করছেন।

    আনোয়ারা বেগম দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নায়িকা ও মা চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।
    সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী ও তাঁর পরিবার।


    এন কে/বিএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ