বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • অভিনয়জীবনের শুরুর বিভীষিকা:

    পরিচালকের অশোভন আচরণ নিয়ে মুখ খুললেন শার্লিজ থেরন

    পরিচালকের অশোভন আচরণ নিয়ে মুখ খুললেন শার্লিজ থেরন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অস্কারজয়ী অভিনেত্রী শার্লিজ থেরন সম্প্রতি এক পডকাস্টে অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। ‘কল হার ড্যাডি’ নামের ওই পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি জানান, এক পরিচালক একবার তাকে শনিবার রাতে অডিশনের কথা বলে নিজের বাসায় ডেকে আপত্তিকর আচরণ করেছিলেন।

    থমকে যাওয়া সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে থেরন বলেন, আমি জানতাম না অডিশনের প্রক্রিয়া কেমন হয়। আমার এজেন্সি বলেছিল একটি ছবির কাস্টিং চলছে, আমাকে শনিবার রাতে যেতে হবে। গিয়েই দেখি তিনি পাজামা পরে আছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আমার হাঁটুর ওপর হাত রাখেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে উঠে চলে যাই।

    এই অভিজ্ঞতা প্রথম তিনি ২০১৯ সালে ‘দ্য হাওয়ার্ড স্টার্ন শো’-তে আংশিকভাবে প্রকাশ করেছিলেন। তবে এবার আরও খোলামেলা বললেন, আমার ভেতরের একটা কণ্ঠ বলছিল, ‘এটা ঠিক হচ্ছে না।’ আবার আরেকটা বলছিল, ‘হয়তো এটাই স্বাভাবিক।’ কারণ আমি তখন কিছুই জানতাম না।

    তিনি জানান, এখনো সেই পরিচালকের নাম প্রকাশ করতে চান না। তার ভাষায়, আমি তাকে রক্ষা করতে চাই না, তবে আমি চাই না গল্পটা তার কেন্দ্র করে আবর্তিত হোক।

    শার্লিজ আরও বলেন, তার সেই বক্তব্য শোনার পর ওই পরিচালক বুঝে যান এটি তার বিরুদ্ধেই বলা হয়েছে। এরপর তিনি অভিনেত্রীকে একটি ‘ভান করা’ চিঠি পাঠান, যাতে ইঙ্গিত ছিল যে থেরন বুঝি বিষয়টি ভুল বুঝেছেন। থেরন বলেন, এটা খুবই চেনা কৌশল। এমনটা তো প্রায়ই হয়।

    তিনি বলেন, আমি তোমার নাম বলব না, কারণ তুমিই জানো তুমি সেই জঘন্য ব্যক্তি। আমি উপভোগ করি যে তুমি প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকো— না জানো কখন তোমার নামটা উঠে আসবে। এটিই তোমার শাস্তি।

    শেষে শার্লিজ থেরনের স্পষ্ট বার্তা, আমি কাউকে কোনো দিন আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে দেব না। তবে যখন কেউ তোমাকে এমনভাবে ব্যবহার করতে আসে, সেটা খুবই অপ্রত্যাশিত ও অপমানজনক লাগে। সেদিন আমি বুঝে গিয়েছিলাম, আমাকে ডাকা হয়েছিল কোনো শিল্পমূল্য নয়, বরং ভোগের বস্তু হিসেবে দেখা হয়েছিল। এটা ছিল অত্যন্ত অবমাননাকর।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ