বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • বিজয়নগরে গভীর রাতে পুশ-ইন চেষ্টায় বিএসএফ, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধা

    বিজয়নগরে গভীর রাতে পুশ-ইন চেষ্টায় বিএসএফ, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা চালায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় শতাধিক মানুষের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় তারা।

    ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে। সীমান্ত এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বিজিবি’র সতর্ক অবস্থানে বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি।

    সূত্র জানায়, পুশ-ইনের বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়ন দ্রুত সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহ্বানের মাধ্যমে সিঙ্গারবিল, বিষ্ণুপুর, নলঘরিয়া, মেরাসানী ও নোয়াবাদী গ্রামের মানুষ সীমান্তে জড়ো হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মানুষ সীমান্তে অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটে এবং কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বাচ্চু মিয়া বলেন, বিজিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই আমরা এলাকায় মাইকিং করি। গ্রামবাসী জড়ো হয়ে গেলে বিএসএফ পিছু হটে।

    একইভাবে ইউনিয়নের আরেক সদস্য মামুন চৌধুরী বলেন, বিএসএফ একপ্রকার গোপনে পুশ-ইন করতে এসেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়।

    বিজয়নগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি ও প্রশাসন।

    বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা আগে থেকেই সতর্ক ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

    এই ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি।


    জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন