মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • সোনারগাঁয়ে অবৈধ স্থাপনা ও আ.লীগের পার্টি অফিস  উচ্ছেদ

    সোনারগাঁয়ে অবৈধ স্থাপনা ও আ.লীগের পার্টি অফিস  উচ্ছেদ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে বৃহৎ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টানা ৬ ঘণ্টাব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ১,০০০ (এক হাজার) অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি পার্টি অফিসও ভেঙে ফেলা হয়, যা স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    এই উচ্ছেদ অভিযানটি নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।

    অভিযানে উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনাগুলোর মধ্যে ছিল: মধুবন, আদি, কলাপাতা মিষ্টির দোকান, ওষুধের ফার্মেসি, বস্তু দোকান, কনফেকশনারি, ফলের দোকান, খাবারের দোকান, সবজি বাজার ও অন্যান্য অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তবে আশ্চর্যজনকভাবে 'মিঠাই মিষ্টির দোকান'কে অক্ষত রেখে পাশের দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

    অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মঞ্জুরুল মোর্শেদ, কাঁচপুর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেগুফতা মেহনাজ, সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ মফিজুর রহমান, কাঁচপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ প্রমূখ।

    এছাড়া, অভিযানে সহযোগিতা করেন, আনসার বাহিনীর সদস্যবৃন্দ, ৫০ জন গ্রাম পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কারিগরি কর্মীরা।

    সরকারি জমি পুনরুদ্ধার ও জনসাধারণের চলাচলের পথ সুগম করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমান।

    তবে সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ উচ্ছেদ অভিযানের ফলে তারা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ঈদের পূর্বে প্রায় প্রতি বছরই সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এমন অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে।

    উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

     

    নতুন কাগজ/বিএইচ


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন