মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯০২ কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত, শিক্ষক আমৃত্যু রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়: প্রধানমন্ত্রী ৫২ বছর ধরে ১ টাকায় পড়ানো লুৎফুর রহমান পেলেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ঢামেকের বাথরুমে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ, পাশে রক্তাক্ত ছুরি বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিল সরকার এআই নিয়ে ভয় কমাতে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ প্রচারের উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের চুম্বকত্বের তৃতীয় রূপ অলটারম্যাগনেটিজমের প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা আলো দিয়ে স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কারে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী প্লেগ গবেষণাগারে কর্মীর মৃত্যু, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, জামায়াতের নিন্দা, গ্রেপ্তারের দাবি
  • এআই নিয়ে ভয় কমাতে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ প্রচারের উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের

    এআই নিয়ে ভয় কমাতে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ প্রচারের উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া ভয় ও নেতিবাচক ধারণা কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে এআইকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নামে উপস্থাপনের উদ্যোগের পাশাপাশি শীর্ষ প্রযুক্তি ও এআই প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তি করা হয়েছে।

    টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি ও এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতারা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তবে এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তিটিকে ‘নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য এআই নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তন করা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে এআই মানুষের কর্মসংস্থান কমিয়ে দেবে কিংবা ভবিষ্যতে মানবজাতির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে—এমন আশঙ্কার বিপরীতে প্রযুক্তিটিকে আরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

    এআই নিরাপত্তা নিয়ে বর্তমান উদ্যোগের আগে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান ছিল কিছুটা ভিন্ন। কয়েক সপ্তাহ আগেও ট্রাম্প এআই খাতে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, বিশ্বে এআই প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখতে হলে উদ্ভাবন ও উন্নয়নের পথে অপ্রয়োজনীয় বাধা তৈরি করা যাবে না।

    পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের সঙ্গে এআই ও প্রযুক্তি খাতের কয়েকজন শীর্ষ নির্বাহীর বৈঠক হয়। এতে মেটার মার্ক জাকারবার্গ, অ্যামাজনের জেফ বেজোস এবং অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেইসহ প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেন।

    অ্যানথ্রপিকের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পর্ক নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে টানাপোড়েন দেখা গেছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসে। যদিও আমোদেই ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন, প্রশাসনের বিভিন্ন অংশে অ্যানথ্রপিককে নিয়ে অবস্থান এক নয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    নতুন নিরাপত্তা চুক্তির বাস্তব কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কারণ এতে স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। ফলে চুক্তিটি বাস্তবে এআই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

    তবে বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিটি তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো পরিবর্তন না আনলেও এ ধরনের উদ্যোগের রাজনৈতিক ও প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসন ও এআই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তিটির নিরাপত্তা নিয়ে যৌথভাবে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে।

    টেকক্রাঞ্চের বিশ্লেষণে পুরো উদ্যোগটিকে মূলত এআইয়ের ‘ভাবমূর্তি বদলের চেষ্টা’ হিসেবে দেখা হয়েছে। অর্থাৎ ‘এআই ভয়ংকর এবং মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে’—এমন ধারণার পরিবর্তে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’কে উন্নত, সম্ভাবনাময় ও মানবকল্যাণে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি হিসেবে তুলে ধরাই উদ্যোগটির অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন