শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কৃষি ও খাদ্যে ১.১ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য দেশব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের উদ্যোগ বাংলাদেশের ১৪ ফল এখন জিআই স্বীকৃত, খুলছে নতুন বাজার জীবনের জটিল সমীকরণ নিয়ে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’, প্রকাশ্যে ট্রেলার ১৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অগ্রগতি, পদায়ন ও যোগদান নিয়ে বৈঠক রোববার প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত রোমে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড: একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহত জর্ডানের বিপক্ষে মেসিকে নিয়ে আর্জেন্টিনার চমক বিশ্বের দূষিত বাতাসের তালিকায় শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার বায়ুমান ‘সহনীয়’ ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস
  • প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত

    প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন সংসদ সদস্যরা।

    শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ধন্যবাদ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সমর্থন জানান। পরে কণ্ঠভোটে ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এ সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাদের সমর্থন ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    প্রস্তাব উপস্থাপনকালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হয়েছে।

    তিনি জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছেন। বিদেশ সফরের সময় বা দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার নামে অতিরিক্ত আয়োজন পরিহার করার উদ্যোগও তার নেতৃত্বের একটি নতুন দৃষ্টান্ত।

    আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পারস্পরিক সম্মান, অভিন্ন স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফর সেই নীতিরই বাস্তব প্রতিফলন।

    তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে জাতীয় স্বার্থ ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে। দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও ধন্যবাদ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সবসময় পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অক্ষুণ্ন রেখে ভবিষ্যতেও সব আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সম্পাদিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে আরও কার্যকর করতে হবে। সরকার ও বিরোধী দল উভয়েরই দায়িত্ব গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করা এবং দেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করা।

    সংসদে গৃহীত এই ধন্যবাদ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের প্রতি আইনপ্রণেতাদের সর্বসম্মত সমর্থন ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন