বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • শৈশবে ফেরার সুযোগ

    ফেসবুকে ভাইরাল ক্রেয়ন ড্রয়িং ট্রেন্ড

    ফেসবুকে ভাইরাল ক্রেয়ন ড্রয়িং ট্রেন্ড
    ছবি- নতুন কাগজ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ বা মোমরঙের ছবির ট্রেন্ড। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও শৈশবের সরলতা ও আনন্দ খুঁজে পেতে অনেকে নিজের ছবি বা ফেসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশটকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুসুলভ ছবিতে রূপান্তর করছেন।

    এই ট্রেন্ডে ব্যবহারকারীরা তাদের সাধারণ ছবিকে এমনভাবে রূপান্তর করছেন, যেন তা দেখে মনে হয় ১০ বছরের কোনো শিশু মোমরঙে আঁকছে।

    কীভাবে তৈরি করবেন ক্রেয়ন ড্রয়িং ছবি?

    এই ট্রেন্ডে অংশ নিতে খুব বেশি নকশা জ্ঞান বা প্রযুক্তিগত দক্ষতার প্রয়োজন নেই। কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই আপনি নিজের ছবি তৈরি করতে পারবেন—

    ১. ছবি নির্বাচন:
    আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের একটি পরিষ্কার স্ক্রিনশট বা এমন ছবি নির্বাচন করুন যেখানে আপনার মুখ বা অবয়ব স্পষ্ট দেখা যায়।

    ২. এআই প্রযুক্তির ব্যবহার:
    বর্তমানে চ্যাটজিপিটি (DALL·E 3) সহ বিভিন্ন এআই টুলে এই ধরনের ছবি তৈরি করা সম্ভব।

    ৩. নির্দেশনা প্রদান (প্রম্পট):
    ছবি আপলোড করার পর নিচের মতো নির্দেশনা লিখতে হবে—
    “এই ছবিটিকে ক্রেয়ন ড্রয়িং স্টাইলে রূপান্তর করো। এটি যেন দেখতে ১০ বছরের বাচ্চার আঁকা ছবির মতো মনে হয়। ছবিতে ফুল, তারা, মেঘ ও ক্যান্ডির মতো সুন্দর উপাদান যোগ করো, যেন এটি কিউট এবং রঙিন দেখায়।”

    কেন জনপ্রিয় হচ্ছে এই ট্রেন্ড?

    গত এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ট্রেন্ডের মূল আকর্ষণ হলো এর সহজতা এবং নস্টালজিক অনুভূতি। প্রযুক্তির জটিলতার মাঝে মানুষ যেন হারানো শৈশবের আনন্দ আবার ফিরে পাচ্ছে। তাই অনেকেই এই ডিজিটাল আর্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।

    তৈরি হওয়া ছবিটি সহজেই ডাউনলোড করে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা যায়। প্রযুক্তি ও কল্পনার এই মিশ্রণে ব্যবহারকারীরা যেন আবারও হয়ে উঠছেন শৈশবের সেই ছোট্ট শিল্পী।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ