বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ হাসানের ছোবলে অস্ট্রেলিয়া বিধ্বস্ত, ডারউইনে রূপকথার শুরু
  • মোদিকে অভিষেকের প্রশ্ন—হাসিনা কি শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী?

    মোদিকে অভিষেকের প্রশ্ন—হাসিনা কি শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এবার বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে অনুপ্রবেশ বিতর্ক। বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক তর্ক। বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ চালাচ্ছে।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে ভারতে আসেন শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রায় ২০ মাস ধরে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। বিষয়টিই এখন পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের প্রচারে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাড়িয়েছে।

    বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, হাসিনার অবস্থান নিয়ে পরিষ্কার জবাব দিতে হবে।
     
    শনিবার (১১ এপ্রিল) তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের এক প্রচার সভায় বলেন, শেখ হাসিনা কি শরণার্থী, নাকি অনুপ্রবেশকারী, এটা স্পষ্ট করতে হবে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আপনি আশ্রয় দিয়ে দিল্লিতে বসিয়ে রেকেছেন প্রায় ২০ মাস হলো। আজও তিনি দিল্লিতে আছেন। সবথেকে বড় বাংলাদেশিকে আপনি আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। শেখ হাসিনার স্ট্যাটাস কি? তিনি কি অনুপ্রবেশকারী না শরণার্থী?
     
    যদিও রাজ্যের ভোটের প্রচারে এসে তৃণমূলের এই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূলকেই আক্রমণ করেন। বর্ধমানের কালনায় নির্বাচনী প্রচারে তিনি বলেন, তৃণমূলই অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে।
     
    নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমি আরো একটা ঘোষণা দিতে এসেছি এখানে, অনুপ্রবেশকারীরা দ্রুত ব্যাগ গোছান। আপনাদের কিন্তু কাউকে ছাড়া হবে না; ধরা হবে। আর যারা, তাদের থাকার জন্য কাগজপত্র তৈরি করে দিয়েছেন তাদেরও ধরা হবে। কেউ ছাড় পাবেন না।

    শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, একইভাবে নির্বাচনী প্রচার চালান বিজেপির আরেক শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত ব্যস্ত রয়েছেন প্রচারণায়। অনুপ্রবেশ ছাড়াও ভোটার তালিকা, উন্নয়ন, দুর্নীতি ও বেকারত্ব নিয়েও চলছে তাদের বাকযুদ্ধ।
     
    পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন হবে দুই দফায়। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোট ২৯ এপ্রিল, ১৪২টি আসনে। ভোট গণনা হবে ৪ মে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন