বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বৃষ্টির দাপটে পরিত্যক্ত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নির্ভুল তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সময়মতো খেলা শুরু নিয়ে অনিশ্চয়তা দেশজুড়ে মৌলিক সুবিধা বিস্তারের পরিকল্পনা সরকারের হজে গিয়ে আরও এক মৃত্যু, সৌদিতে পৌঁছেছেন ৩৮,২০৭ যাত্রী পদত্যাগের পরও ৬ মাস ভিভিআইপি থাকবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা স্বর্ণার ফিফটির পরও জয় হাতছাড়া বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা জটিলতা কমবে শিগগিরই: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বার খুলল, রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এনসিপি নেতা সারজিস আলম
  • মোদিকে অভিষেকের প্রশ্ন—হাসিনা কি শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী?

    মোদিকে অভিষেকের প্রশ্ন—হাসিনা কি শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এবার বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে অনুপ্রবেশ বিতর্ক। বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক তর্ক। বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ চালাচ্ছে।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে ভারতে আসেন শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রায় ২০ মাস ধরে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। বিষয়টিই এখন পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের প্রচারে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাড়িয়েছে।

    বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, হাসিনার অবস্থান নিয়ে পরিষ্কার জবাব দিতে হবে।
     
    শনিবার (১১ এপ্রিল) তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের এক প্রচার সভায় বলেন, শেখ হাসিনা কি শরণার্থী, নাকি অনুপ্রবেশকারী, এটা স্পষ্ট করতে হবে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আপনি আশ্রয় দিয়ে দিল্লিতে বসিয়ে রেকেছেন প্রায় ২০ মাস হলো। আজও তিনি দিল্লিতে আছেন। সবথেকে বড় বাংলাদেশিকে আপনি আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। শেখ হাসিনার স্ট্যাটাস কি? তিনি কি অনুপ্রবেশকারী না শরণার্থী?
     
    যদিও রাজ্যের ভোটের প্রচারে এসে তৃণমূলের এই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূলকেই আক্রমণ করেন। বর্ধমানের কালনায় নির্বাচনী প্রচারে তিনি বলেন, তৃণমূলই অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে।
     
    নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমি আরো একটা ঘোষণা দিতে এসেছি এখানে, অনুপ্রবেশকারীরা দ্রুত ব্যাগ গোছান। আপনাদের কিন্তু কাউকে ছাড়া হবে না; ধরা হবে। আর যারা, তাদের থাকার জন্য কাগজপত্র তৈরি করে দিয়েছেন তাদেরও ধরা হবে। কেউ ছাড় পাবেন না।

    শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, একইভাবে নির্বাচনী প্রচার চালান বিজেপির আরেক শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত ব্যস্ত রয়েছেন প্রচারণায়। অনুপ্রবেশ ছাড়াও ভোটার তালিকা, উন্নয়ন, দুর্নীতি ও বেকারত্ব নিয়েও চলছে তাদের বাকযুদ্ধ।
     
    পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন হবে দুই দফায়। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোট ২৯ এপ্রিল, ১৪২টি আসনে। ভোট গণনা হবে ৪ মে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন